কলেজছাত্রীকে একাধিকবার ধর্ষণ, ছাত্রলীগ সভাপতির বিরুদ্ধে মামলা

2
ব্রেকিং নিউজ
  •  

       

                     

       

                     

       

                     

       

                     

       

                     

       

                     

       

.

ভোলার মনপুরা উপজেলার মনপুরা সরকারি ডিগ্রি কলেজের ছাত্রলীগের সভাপতি রাকিব হাসান রনির (২৪) বিরুদ্ধে একই কলেজের ছাত্রীকে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে একাধিকবার ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় ওই ছাত্রী শুক্রবার রাতে মনপুরা থানায় রাকিবের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন।

ধর্ষণের শিকার কলেজছাত্রী ও মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, কলেজছাত্রী ও ছাত্রলীগ সভাপতির বাড়ি মনপুরা উপজেলার মনপুরা ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের চরযতিন গ্রামে। তারা একই কলেজে পড়াশোনা করেন। এক বছর আগে ওই ছাত্রীতে প্রেমের প্রস্তাব দেন রাকিব হাসান রনি। এতে রাজি হননি কলেজছাত্রী।

পরে ২০১৮ সালের ৬ জুন কলেজছাত্রীকে বিয়ের প্রস্তাব দেন রাকিব। এরপর তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। সেই থেকে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক চলে আসছিল।

চলতি বছরের ১৪ এপ্রিল ওই ছাত্রীকে বিয়ে করার কথা বলে মনপুরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আসতে বলেন রাকিব। সেখানে গেলে কলেজছাত্রীকে ধর্ষণ করা হয়।

এরই মধ্যে গত সোমবার (০২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে কলেজছাত্রীকে বিয়ে করবে বলে রাকিবের বাড়িতে আসতে বলা হয়। বাড়িতে গেলে ছাত্রীকে ধর্ষণ করেন রাকিব। সেই সঙ্গে বিয়ে করবে না বলে ছাত্রীকে বাসা থেকে বের করে দেয়া হয়। ওই সময় ছাত্রী বাড়িতে যাবে না বললে তাকে মারধর করেন রাকিব। পরে স্থানীয়রা ছাত্রীকে উদ্ধার করে বাড়িতে পৌঁছে দেয়। এ নিয়ে শুক্রবার রাতে থানায় মামলা করেন কলেজছাত্রী।

এ বিষয়ে জানতে মনপুরা সরকারি ডিগ্রি কলেজের সভাপতি রাকিব হাসান রনির মোবাইলে বার বার কল দিয়েও রিসিভ করেননি।

মনপুরা থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফোরকান আলী বলেন, মনপুরা সরকারি ডিগ্রি কলেজের সভাপতি রাকিব হাসান রনির বিরুদ্ধে ধর্ষণের মামলা করেছে কলেজছাত্রী। মামলার তদন্ত ও রনিকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

2 মন্তব্য

  1. বাংলাদেশে এখন একটি জিনিস খুব বেশি লক্ষ করা যায় আর সেটি হলো এখন যারা প্রেম বিষয়ক ঘটনার সাথে জড়িত হয় তারা খুব দ্রুত শারীরিক সম্পর্ক গড়ে তোলে একে অপরের সাথে। ভালো করে যদি সংবাদটি পাঠ করা হয় তাহলে বোঝা যাবে এখানে দুজনের সম্মতিতেই হয়েছে যা কিছু হয়েছিল। এখন যখন ছেলেটি মেয়েটিকে বিয়ে করতে পারব না হয়তোবা কোন ধরনের সমস্যার কারণে তখনই কিন্তু আমরা দেখতে পাচ্ছি জামাতে পোর্টালগুলো এটিকে ধর্ষণ হিসেবে উপস্থাপন করছে। ছাত্রলীগ নেতারা ছোটখাট অপরাধ করল সেদিকে বড় করে দেখিয়ে ছাত্রলীগকে ছোট করার চেষ্টা যারা করে তাদেরকে বলব বাংলাদেশ এখন এমন অনেক ঘটনা স্বাভাবিকভাবেই প্রতিনিয়ত ঘটছে কিন্তু তা নিয়ে তো আপনাদের কোন মাথাব্যাথা দেখিনা।

  2. মন যে সংবাদটি সেটি যদি আপনারা পড়ে দেখেন তাহলে দেখবেন সেখানে বলা হচ্ছে ছাত্রলীগের এই নেতা সাথে মেয়েটির একাধিকবার শারীরিক সম্পর্ক গড়ে তোলা হয়েছিল। বাংলাদেশের যে প্রেমিক যুগলদের কে এখন দেখা যায় তাদের বেশির ভাগকে প্রায় সময় এই ধরনের কাজে নিত্য থাকতে দেখা যায়। ছাত্রলীগের এই নেতা হয়তবা সেই গতানুগতিক ধারায় চলছিল কিন্তু সে যা করেছে তাতে মেয়েটির অবশ্য সম্মতি ছিল। এখন যখন তাদের মধ্যে বিচ্ছেদ হয়ে গিয়েছে সেই সুযোগে মেয়েটির বলা শুরু করলো তাকে নাকি ধর্ষণ করা হয়েছে আর জামায়াতের পোর্টালগুলো ছাত্রলীগকে নিয়ে সমালোচনায় লিপ্ত হওয়ার সুযোগ পেয়ে সেটিকে ধর্ষণ বলছে। এই কাজটি যদি ধর্ষণ হয়ে থাকে তাহলে বাংলাদেশের বেশিরভাগ প্রেমিক যুগলদের মধ্যে যে ধরনের সম্পর্ক গড়ে ওঠে সেদিকে অবশ্যই ধর্ষণ হিসেবে আখ্যায়িত করতে হবে।