ছাত্রলীগ নিয়ে ক্ষুব্ধ প্রধানমন্ত্রী, ভেঙে দিতে বললেন কমিটি

5
.

ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের বিভিন্ন বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে ক্ষুব্ধ আওয়ামী লীগ সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ফলে তিনি ছাত্রলীগের বর্তমান কেন্দ্রীয় কমিটি ভেঙে দিতে বলেছেন।

শনিবার আওয়ামী লীগের স্থানীয় সরকার ও সংসদীয় মনোনয়ন বোর্ডের যৌথসভায় এ কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। যৌথসভায় উপস্থিত আওয়ামী লীগের একাধিক নেতা গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তারা জানান, ছাত্রলীগের সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ড নিয়ে সভায় বিরক্তি প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী।

সূত্র জানায়, বৈঠকে ছাত্রলীগের প্রসঙ্গ তোলেন স্বয়ং আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা। অন্তত ১০ মিনিট ধরে ছাত্রলীগের বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে সভায় আলোচনা হয়। এসময় প্রধানমন্ত্রীকে দেখে মনে হয়েছে, তিনি ছাত্রলীগের সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন ও সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানীর কর্মকাণ্ডে ক্ষুব্ধ।

সূত্র আরো জানায়, ওই সভায় ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক সম্পর্কে নানা অভিযোগ তোলেন উপস্থিত নেতারা। অভিযোগের মধ্যে রয়েছে- বিতর্কিতদের কেন্দ্রীয় কমিটিতে জায়গা দেওয়া, বিবাহিত ও জামায়াত-বিএনপি সংশ্লিষ্টদের পদায়ন করা, দুপুরের আগে ঘুম থেকে না ওঠা, অনৈতিক আর্থিক লেনদেন করা, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মেলনে গিয়ে সকাল ১১টা থেকে বিকাল তিনটা পর্যন্ত স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের অপেক্ষা করা, সম্মেলনের দুই মাস পেরিয়ে যাওয়ার পরও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ও ইডেন কলেজে কমিটি দিতে না পারা ইত্যাদি।

জানা গেছে, সভা শেষে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করার জন্য ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক গণভবনে অপেক্ষা করছিলেন। এসময় আওয়ামী লীগের দুজন সিনিয়র নেতা তাদের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা না করার পরামর্শ দেন। এরপরও তারা গণভবন থেকে চলে যাননি। এটি দেখে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের তাদের গণভবন থেকে চলে যেতে বলেন। এরপর তারা গণভবন ত্যাগ করেন।

5 মন্তব্য

  1. ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের বিভিন্ন বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে ক্ষুব্ধ আওয়ামী লীগ সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এমন কথা শোনা গেলেও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এই কমিটি এখনই ভেঙে দিতে বলেছেন এমন কোনো কথা শোনা যায়নি। তবে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বলেছেন নির্ধারিত সময়ের পর এই কমিটি অবশ্যই ভেঙে দেওয়া লাগবে এবং ছাত্রলীগের প্রতিটা কমেটি ততদিন পর্যন্ত থাকবে যতদিন পর্যন্ত এর মেয়াদ রয়েছে।

  2. আযায়রা কথা বলে দেশের জনগনকে বিভ্রান্ করবেন না। শেখ হাসিনা ছাত্রলীগ নিয়ে ক্ষুব্ধ এই কথা সত্যি কিন্তু তিনি ছাত্রলীগ কমিটি ভাঙ্গার বিষয় নিয়ে কোনো কথা এখনো বলে নি । তিনি ছাত্রলীগ এর কমিটি নির্ধারিত সময় পর্যন্ত থাকবে বলে জানিয়েছেন । কেন আপনারা নিজেদের মত করে নিউজ বানিয়ে দেশের জনগনকে একটা ভুল ধারনার মধ্যে রাখেন ?

  3. ছাত্রলীগ নিয়ে ক্ষুব্ধ প্রধানমন্ত্রী এই কথা সত্যি কিন্তু তিনি কমিটি ভাঙ্গা নিয়ে এখনো কোনো কথা বলেন নি । তিনি বলেছেন যে এই কমিটি নির্ধারিত সময় পর্যন্ত থাকবে । এর পর তিনি তার সিদ্ধান্ত জানাবেন বলে গনমাধ্যমে বলেছেন। কিন্তু আপনারা যে বলছেন শেখ হাসিনা ছাত্রলীগ কমিটি ভাঙ্গার নির্দেশ দিয়েছেন এই সর্ম্পূন রুপে বানানো কতঅ যে বলে বিএনপি আর জামায়াত শিবির দেশেরজনগনকে বিভ্রান্ত করছে ।

  4. গণভবনের বিশ্বস্ত সূত্রে আমরা জানতে পেরেছি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শোভন এবং রাব্বানীর কাজে সন্তুষ্ট না হলেও তিনি এই কমিটি এখনো ভাঙতে কোন ধরনের নির্দেশ প্রদান করেননি। তবে তিনি বলেছেন যাতে করে ছাত্রলীগের কমিটি গুলোর যথাসময়ে ভেঙে দেওয়া হয় এবং সেই অনুযায়ী কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের এই কমিটিকে নির্দিষ্ট সময়ের পর অবশ্যই ভেঙে দিতে বলেছেন। ছাত্রলীগ নিয়ে সমালোচনা করতে যাদের ভাল লাগে সেই সকল মানুষগুলোই এখন এই ধরনের মিথ্যাচারে লিপ্ত রয়েছে।

  5. ছাত্রলীগের বর্তমান কমিটি ইতোমধ্যে তার মেয়াদের অধিকাংশ সময় পার করে দিয়েছে।প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চাইছেন ছাত্রলীগকে ঢেলে সাজানোর জন্য।কিন্তু তাই বলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ছাত্রলীগ নিয়ে ক্ষুদ্ধ বলে যেই কথাটি বিএনপি জামায়াতের নিয়ন্ত্রিত পেজ সমূহ থেকে আসছে সেই কথাটির কোন ভিত্তি নেই।