চট্টগ্রামে প্রাইম মুভার ধর্মঘট প্রত্যাহার বিষয় সিদ্ধান্ত ছাড়াই সভা শেষ

2
screenshot_2
চট্টগ্রাম বন্দরের ফাইল ছবি।

কোন ধরনের সিদ্ধান্ত ছাড়াই জেলা প্রশাসকের সাথে প্রাইম মুভার মালিক-চালক-কর্মচারী সমিতির সভা শেষ হয়েছে। কোন সমাধান না আসা পর্যন্ত ধর্মঘট চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন তারা। বৃহস্পতিবার বিকেলে সার্কিট হাউজে জেলা প্রশাসক শামসুল আরেফীনের সভাপতিত্বে এ সভা হয়।

এদিকে, প্রাইম মুভার মালিক-চালক-কর্মচারী সমিতির ধর্মঘটের সাথে একাত্মতা প্রকাশ করে আগামী শনিবার থেকে বৃহত্তর চট্টগ্রামে অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে জেলা সড়ক পরিবহন মালিক সমিতি। দুপুরে শুরু হওয়া এ সভায় প্রাইম মুভার মালিক-চালক-কর্মচারী সমিতি তাদের বিভিন্ন সমস্যা ও দাবি জেলা প্রশাসকের কাছে তুলে ধরেন। তারা বলেন, ওভার লোডিং’র নামে চাঁদাবাজি, স্কেলের নামে দাউদকান্দি ও মেঘনা সেতুতে অতিরিক্ত টাকা আদায় করছে চাঁদাবাজরা। মন্ত্রণালয় থেকে কোন সমাধান না আসায় সিদ্ধান্ত ছাড়াই চার ঘণ্টা পর সভা শেষ হয়।

এর আগে সারাদিনই বন্দর এলাকায় দিনভর অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছে প্রাইম মুভার মালিক-চালক-কর্মচারী সমিতি। সল্টগোলা ক্রসিং এলাকার রাস্তার পাশে অবস্থান নিয়ে মিছিল সমাবেশ করে তারা। গত সোমবার থেকে সাত দফা দাবিতে প্রাইম মুভার চলাচল বন্ধ রেখেছে সংগঠনটি।

এদিকে আগামী ৪ অক্টোবর সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ে এ বিষয়ে বৈঠক রয়েছে জানিয়ে সমস্যা থেকে উত্তোরণে কি পদক্ষেপ নেওয়া যায় আন্দোলনকারীদের কাছে তা জানতে চান ডিসি। তখন আন্দোলনকারীরা ৫ অক্টোবর পর্যন্ত যে কোন ওজনের গাড়ি চলাচলের অনুমতি চান।অনুমতি দিলে ধর্মঘট প্রত্যাহার করে নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন তারা।

তাদের এ প্রস্তাবে ডিসি বলেন,‘ঠিক আছে। আমি বিষয়টি নিয়ে এখনি আলোচনা করছি।এরপর তিনি সড়ক পরিবহন ও যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের সচিবের সঙ্গে যোগাযোগ করেন।সচিবের বরাত দিয়ে ডিসি জানান, মন্ত্রী ব্যস্ত থাকায় বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করতে পারছেন না।’

পরে ডিসি বলেন, আমরা আজকের মতো সভা এখানে স্থগিত করলাম। মন্ত্রী মহোদয়ের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করছি। উনার মতামত পাওয়া গেলে তা আপনাদের জানিয়ে দেব। এছাড়া শুক্রবার এ বিষয়ে আবারও সভা হবে। কখন হবে তা জানানো হবে। এ বলে তিনি সভাস্থল ত্যাগ করেন।

পরে পরিষদের সদস্য সচিব আবু বক্কর ছিদ্দিক সাংবাদিকদের বলেন, আমরা মনে করেছিলাম মাননীয় জেলা প্রশাসক মহোদয় সন্তোষজনক সমাধান দিবেন। তাই তাঁর ডাকে সাড়া বৈঠকে এসেছি। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের সঙ্গে বলতে হয় তিনি সমাধান না দিয়ে সভা স্থগিত করে চলে গেলেন। ফলে আর কোন উপায় না থাকায় আমরা ধর্মঘট অব্যাহত রাখতে বাধ্য হয়েছি। সমম্যার সমাধান না হওয়া পর্যন্ত এ ধর্মঘট চলবে।

2 মন্তব্য

একটি মন্তব্য দিন