ক্যাসিনো সহযোগিতাকারী প্রশাসনের ব্যক্তিদের চিহ্নিত করুন : ড. খন্দকার মোশাররফ

2
.

ক্যাসিনো সহযোগিতাকারী প্রশাসনের ব্যক্তিদের চিহ্নিত করতে সরকারের প্রতি আহবান জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন।

আজ জাতীয় প্রেস ক্লাবে ব্রি. জে (অব.) আ স ম হান্নান শাহের ৩য় মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে স্মৃতি সংসদ আয়োজিত এক স্মরণ সভায় তিনি এ আহ্বান জানান।

মোশাররফ বলেন, যুবলীগের সভাপতি বলেছেন, ৬০টি থানায় ক্যাসিনো ও জুয়া চলেছে, পুলিশ ও র‌্যাব কি করেছে? তারা কি আঙ্গুল চুষছে। আমরা যুবলীগের নেতার ভাষায় বলতে চাই, প্রশাসনের সহযোগিতা ছাড়া এ ধরনের অনৈতিক কাজ চলতে পারে না। সুতরাং আমরাও দাবি করছি, প্রশাসনের যেসব ব্যক্তি সহযোগিতা করছেন- তাদেরকে চিহ্নিত করুন।

সরকারকে উদ্দেশ্য করে খন্দকার মোশাররফ বলেন, শুধু নিচ থেকে শুদ্ধি অভিযান করে লাভ হবে না, উপর থেকে শুদ্ধি অভিযান শুরু করেন। তাহলে শুদ্ধি অভিযান হবে।

সভায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বলেন, আজকে আওয়ামী লীগের টোকাইদের পকেটে কত টাকা? আর এখন চোরেরা ধরা পড়েছে, তাই একেক দিন একেক জনের নাম বলে। পুলিশ ও র‌্যাব তাদেরকে না ধরলেও জনগণ তাদেরকে ধরবে। সেই সময় আর বেশি দূরে নেই, যেদিন জনগণই তাদের বিচার করবে।

দলের স্থায়ী কমিটির আরেক সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত আদালত নির্ভর হতে পারে না। কারণ এর সিদ্ধান্ত জনগণ নেবে। জনগণ বলবে তিনি ভালো না মন্দ। তিনি দোষী না নির্দোষী।

হান্নান শাহের প্রতি স্মৃতি চারণ করে দলটির আরেক স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেন, হান্নান শাহ সাহসী এবং দলের প্রতি অনুগত ছিলেন। আর আজকে বিনা অপরাধে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে কারাগারে আটক করে রাখা হয়েছে। তবে আজ হান্নান শাহ বেঁচে থাকলে এর প্রতিবাদ করতেন এবং আন্দোলন-সংগ্রাম সফল করতেন।

আয়োজক সংগঠনের আহবায়ক ও বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক মিলনের সভাপতিত্বে সভায় দলটির ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল নোমান, যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

2 মন্তব্য

  1. বর্তমানে ক্যাসিনোর সঙ্গে জড়িত প্রত্যেকে আইনের আওতায় এনে শাস্তি দেওয়া হচ্ছে। এমনকি যাদের সাহায্যে এই ক্যাসিনো সাম্রাজ্য চলতে পারত তাদেরকে পর্যন্ত আইনের আওতায় আনার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। দেশের মধ্যে যাতে আর কোন ভাবে অবৈধ পথে অর্থ উপার্জনের সুযোগ না থাকে এবং দুর্নীতিবাজরা রেহাই না পায় সেই দিকে শেখ হাসিনা বিশেষ পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। তাই সকলকে শেখ হাসিনার পক্ষ থেকে এই দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর জন্য আহ্বান জানাচ্ছি।

  2. প্রত্যেক ব্যক্তি আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর নজরের রয়েছে। যারা ক্যাসিনোর সঙ্গে কোনো না কোনোভাবে জড়িত ছিল। শেখ হাসিনার সরকার কোন দুর্নীতিবাজ এবং সন্ত্রাসীদেরকে সমর্থন দেওয়া ব্যক্তিদের দলে রাখার পক্ষে নয়। তাই ক্যাসিনোর সাথে প্রশাসনের যারা জড়িত রয়েছে এবং যদি সরকার দলের কেউ জড়িত থেকে থাকে তাহলে তার বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এমনটা আমরা শেখ হাসিনার থেকে আশা রাখতে পারি।