রাত পোহালেই রংপুর-৩ আসনে উপনির্বাচন

0
.

রাত পোহালেই রংপুর-৩ আসনের উপ-নির্বাচনের ভোটগ্রহণ। শনিবার (৫ অক্টোবর) সকাল ৯টা থেকেই শুরু হবে এই আসনে ভোটগ্রহণ। চলবে বিকাল ৫টা পর্যন্ত। এই উপলক্ষে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে রংপুরের আঞ্চলিক নির্বাচন কমিশন অফিস। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকেও প্রস্তুত রাখা হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার সব কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে ইলেকট্রোনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম)। এর আগে, ভোট গ্রহণকারী কর্মকর্তাদের দেওয়া হয়েছে বিশেষ প্রশিক্ষণ। সবশেষে শুক্রবার (৪ অক্টোবর) কেন্দ্রে-কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে বাকি নির্বাচনি সরঞ্জাম।

শুক্রবার সন্ধ্যায় সংবাদ সম্মেলনে উপ-নির্বাচনের সার্বিক প্রস্তুতি গণমাধ্যমের সামনে তুলে ধরেন রিটার্নিং কর্মকর্তা ও রংপুরের আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা জিএম শাহাতাব উদ্দিন। আর আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিষয়ে সাংবাদিকদের জানান রংপুরে কর্মরত র‌্যাব -১৩ এর কমান্ডার রেজা ফেরদৌস আহমেদ।

সাবেক রাষ্ট্রপতি ও জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের মৃত্যুতে শূন্য হওয়া রংপুর-৩ (সদর) আসনের ভোটার সংখ্যা ৪ লাখ ৪১ হাজার ২২৪ জন। সকাল নয়টায় ১৭৫টি কেন্দ্রে একযোগে ভোটগ্রহণ শুরু হবে। এই নির্বাচন পুরাটা অনুষ্ঠিত হবে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম)।

ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র ৭৬টি
স্থানীয় নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, রংপুর-৩ উপ-নির্বাচনের পুরো আসনের ১৭৫টি ভোট কেন্দ্রের মধ্যে ৭৬টি আসনকে ঝুঁকিপূর্ণ আসন হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। যার মধ্যে ৪৯টিকে অতি ঝুঁকিপূর্ণ মনে করা হচ্ছে। এসব কেন্দ্রে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিশেষ নজর থাকবে। তবে, এসব কেন্দ্রের ক্ষেত্রে ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ শব্দটির পরিবর্তে ‘গুরুত্বপূর্ণ’ শব্দ ব্যবহার করতে চান রিটার্নিং কর্মকর্তা শাহাতাব উদ্দিন। বাংলা ট্রিবিউনকে তিনি বলেন, ‘আমরা ৭৬টি কেন্দ্রকে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে এবং এর মধ্যে ৪৯টিকে অতি গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখছি।’

উল্লেখ্য, রংপুর-৩ এর উপ-নির্বাচনে মহাজোটের প্রার্থী হিসেবে লাঙল মার্কা নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট মরহুম এরশাদের পুত্র রাহগীর আল মাহী ওরফে সাদ এরশাদ, বিএনপির প্রার্থি রিটা রহমান, স্বতন্ত্র প্রার্থী এরশাদের ভাতিজা মকবুল শাহরিয়ার ওরফে আসিফ (আসিফ শাহরিয়ার)সহ ৬ জন প্রার্থী। বাকিরা হলেন গণফোরামের কাজী মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ, খেলাফত মজলিসের তৌহিদুর রহমান মণ্ডল ও এনপিপি-এর শহিদুল আলম।

নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে আয়োজনের অংশ হিসেবে শুক্রবার সকাল থেকেই পুরো নির্বাচনি এলাকায় যানবাহন চলাচল সীমিত করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, গণমাধ্যম ও অ্যাম্বুলেন্স ছাড়া যেকোনও বেসরকারি যানবাহন চলাচলে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। বহিরাগতদের এলাকা ত্যাগের নির্দেশের পাশাপাশি বাইরের কাউকে নির্বাচনি এলাকায় প্রবেশের ওপর কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে।

কোন মন্তব্য নেই