বুয়েটে আড়াইঘণ্টা অবরুদ্ধ পুলিশ কর্মকর্তারা, সিসিটিভি ফুটেজ হস্তান্তর

1
.

বুয়েটের ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের (ব্যাচ ১৫) শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদকে হত্যার ঘটনায় সিসিটিভি ফুটেজ প্রকাশের দাবিতে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের অবরুদ্ধ করে রাখে শিক্ষার্থীরা। আড়াই ঘণ্টার মতো অবরুদ্ধ থাকার পর শিক্ষার্থীদের সামনে শেরেবাংলা হলের প্রাধ্যক্ষর হাতে সিসিটিভি ফুটেজের হার্ডডিস্ক হস্তান্তর করে বের হয়ে যান তারা।

সোমবার (৭ অক্টোবর) বিকালে বুয়েটের শেরেবাংলা হলে তদন্ত করতে যান ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার কৃষ্ণ পদ রায়সহ আরও কয়েকজন কর্মকর্তা। তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং হলের সিটিটিভি থেকে রাতের ভিডিও ফুটেজ সংগ্রহ করেন। এসময় শিক্ষার্থীরা ফুটেজগুলো প্রকাশ করার দাবি জানান। একপর্যায়ে ফুটেজের দাবিতে সন্ধ্যা ৬টার দিক থেকে শেরেবাংলা হলের প্রাধ্যক্ষের রুমে অবরুদ্ধ করে রাখা হয় পুলিশ কর্মকর্তাদের। এসময় বেশ কয়েকবার ছাত্রদের সাথে পুলিশের উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় এবং উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।

শিক্ষার্থীদের দাবি, ফুটেজ না দেখালে কাউকে বের হতে দেওয়া হবে না। তাদের দাবির মুখের মুখে এক মিনিটের একটি ফুটেজ প্রকাশ করে পুলিশ।

তবে রাতে আবরারকে নিয়ে যাওয়ার সময় থেকে তার মরদেহ সরিয়ে নেওয়া এবং এই সময়ের মধ্যে সিঁড়ি-বারান্দা দিয়ে যাওয়া-আসা করা এবং ঘটনাস্থলে উপস্থিত সবার পরিচয় স্পষ্ট করার জন্য পুরো ফুটেজ প্রকাশের দাবি জানান শিক্ষার্থীরা। এরই পরিপ্রেক্ষিতে রাত সাড়ে ৮টার দিকে তাদের উপস্থিতিতেই ফুটেজ হস্তান্তর করা হয়।

উল্লেখ্য, ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দেওয়ার জের ধরে আবরার ফাহাদ (রাব্বি)-কে রবিবার (৬ অক্টোবর) রাতে ডেকে নিয়ে যায় বুয়েট শাখা ছাত্রলীগের কয়েকজন নেতাকর্মী। এরপর রাত ৩টার দিকে শেরেবাংলা হলের নিচতলা ও দুইতলার সিঁড়ির করিডোর থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। সোমবার দুপুর দেড়টার দিকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল মর্গে আবরারের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়। ফরেনসিক বিভাগের প্রধান ডা. সোহেল মাহমুদ লাশের ময়নাতদন্ত করেন। তিনি বলেন, ‘ছেলেটিকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে।’

নিহত আবরার বুয়েটের ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। তিনি শেরেবাংলা হলের ১০১১ নম্বর কক্ষে থাকতেন। -বাংলা ট্রিবিউন

প্রথম মন্তব্য

  1. ভারতীয় অাগ্রাসন বিরোধী স্ট্যাটাস দিলো এই খবর ওখানকার ছাএলীগ নেতারা অার একজন হিন্দু ছাএলীগ জানলো কিভাবে? এই হত্যাকি তাহলে অন্য কাহারও ইন্থনে হয়েছে? হিন্দুতো ভারতের জন্যেই কখা বলবেই।