আবরার ফাহাদ হত্যার ঘটনায় বিস্মিত ও মর্মাহত যুক্তরাজ্য

2
.

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ হত্যার ঘটনায় বিস্মিত ও মর্মাহত বলে জানিয়েছে যুক্তরাজ্য। বুধবার (০৯ অক্টোবর) ঢাকার যুক্তরাজ্য হাইকমিশন এক বার্তায় এই প্রতিক্রিয়া জানায়।

যুক্তরাজ্য হাইকমিশনের এক বার্তায় বলা হয়, ‘বুয়েটে ঘটে যাওয়া ঘটনায় আমরা বিস্মিত ও মর্মাহত। যুক্তরাজ্য বাকস্বাধীনতা, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা, মানবাধিকার ও আইনের শাসন প্রসঙ্গে নিঃশর্তভাবে অঙ্গীকারবদ্ধ।’

গত রোববার (০৬ অক্টোবর) দিনগত রাতে বুয়েটের তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক প্রকৌশল বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের (১৭তম ব্যাচ) ছাত্র ফাহাদকে মারধর করে হত্যা করা হয়। পরে সোমবার (০৭ অক্টোবর) হলের সিঁড়ি থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

2 মন্তব্য

  1. ঠিক এইভাবে কিংবা এর চেয়ে জঘন্য ভাবে যখন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কর্মী সানিকে বা দ্বীপকে হত্যা করা হয়েছিল এই বুয়েটে তখন কিন্তু কাউকে বিস্মিত হতে দেখা যায়নি এবং কেউ প্রতিবাদ করেনি। কিন্তু আজ কেন আবরারের জন্যেবীপকে?বিস্মিত হতে হচ্ছে সবাইকে কিংবা সকলে কেন তার জন্যই প্রতিবাদ জানাচ্ছে? আর এটি দেখে যারা বুঝার মত জ্ঞান রাখেন তারা অবশ্যই বুঝে নিবেন আর সেটি হলো আবরারের বিষয়টি নিয়ে সরকারকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে যেকোনো একটি সংগঠন কিংবা কয়েকটি সংগঠন মিলিত হয়ে কাজ করছেন।

  2. আবরার হত্যাকাণ্ড অবশ্যই নির্মম হত্যাকান্ড বলেই আপনারা এর প্রতিবাদ জানিয়েছেন এবং সেজন্য আমরা যারা সাধারন জনগন রয়েছে তারা আপনাদের সাথে সমর্থন জানাচ্ছি। কিন্তু আপনাদের কাছে একটি প্রশ্ন রইল আর সেটি হলো আজ যেভাবে আবরারের হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদ জানালেন এবং হত্যাকাণ্ডের সাথে যারা জড়িত তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে আবেদন জানালেন ঠিক সেভাবে কেন বাকি ছাত্র সংগঠনগুলো যেভাবে অন্য ছাত্র সংগঠনের নেতাদের কে হত্যা করেছে সেই হত্যাকাণ্ড গুলোর বিচার দাবি করলেন না? এক পক্ষ হয়ে কথা বলাটা আসলে আপনাদের স্বভাবের মধ্যে পড়ে না তবে এটি বুঝতে পারছি সরকারবিরোধী হিসেবে যারা কাজ করছে সেই সংগঠন গুলো আপনাদেরকে শুধুমাত্র সরকারি দলের ছাত্র সংগঠনের বিরুদ্ধে খারাপ বুঝিয়েছে এবং অতীতে অন্য ছাত্র সংগঠনগুলোর যে অপরাধ করেছে সেগুলো তারা তুলে ধরেনি।