বাবা- মেয়েকে গলা কেটে হত্যা: নোয়াখালী থেকে আটক শ্রমিক নেতা

0
.

নগরীর বন্দর থানার নিমতলা এলাকায় স্থানীয় বুচুইক্যা কলোনীর একটি বাসায় বাবা মেয়েকে গলাকেটে হত্যার ঘটনায় মাহিন উদ্দিন নামে এক শ্রমিক নেতাকে গ্রেফতার করেছে করেছে পুলিশ।

গতকাল শনিবার রাতে নোয়াখালী থেকে গুদাম শ্রমিক নেতা মাইন উদ্দিনকে আটক করে আজ রবিবিবি ফাতেমা (৪)।বার সকালে চট্টগ্রাম আনা হয়েছে বলে জানান বন্দর থানার অফিসার ইনচার্জ সুকান্ত চক্রবর্তী। তিনি জানান, গতকাল সকালে মো. আবু তাহের (৪২) এবং তার মেয়ে বিবি ফাতেমা (৪)কে জবাইকে করে হত্যার পর পরই এলাকা থেকে পালিয়ে যায় মাইন উদ্দিন।

এই মাহিন উদ্দিনের সঙ্গে নিহতের স্ত্রী হাছিনার পরকীয়ার সম্পর্ক ছিল বলে ধারণা করছে পুলিশ। মেয়ে বিবি ফাতেমা এসব ঘটনা দেখে ফেলায় তাকে হত্যার পর হাসিনার স্বামীকেও হত্যা করা হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ।

জানাগেছে, গ্রেফতার হওয়া মাইন উদ্দিনের গ্রামের বাড়ী নোয়াখালীর সুর্বণ চর এলাকায়। নিহত আবু তাহের যে গুদামে শ্রমিকের কাজ করতো মাইন উদ্দিন সে গুদামের শ্রমিক নেতা।

সে নিমতলার আবু তাহেরের বাসার কাছে থাকতো। এবং প্রায় সময় তাহেরের বাসায় যাওয়া আসা করতো।

পুলিশ ও প্রতিবেশীদের ধারণা তাহেরের স্ত্রী হাছিনার সাথে মাইন উদ্দিনের অবৈধ সর্ম্পক ছিল। যার প্রেক্ষিতে স্বামী তাহের জানতে পেরে তাদের দাম্পত্য জীবনে অশান্তি শুরু হয়।

প্রতিবেশীরা পুলিশকে জানিয়েছে, ঘটনার ৩দিন আগে স্বামী স্ত্রীর মধ্যে তুলুম ঝগড়া হয়েছে। স্ত্রীর হাছিনা আক্তারের পরনে একটি লাল শাড়িকে গিরে স্বামী আবু তাহেরের মনে সন্দেহ জাগে। এই লাল শাড়ি কে দিয়েছে কেন দিয়েছে এসব নিয়ে ঝগড়া হয় বলে প্রতিবেশীরা বলেছে।

পুলিশের ধারণা হয়তো পারিবারিক অশান্তি থেকে মাইনুদ্দিনের সহযোগীতায় স্ত্রী হাছিনা নিজের মেয়ে ও স্বামীকে গলা কেটে হত্যা করেছে।

ঘটনার পরপরই স্ত্রী হাছিনা, শ্যালিকা ও ভায়রাসহ ৪ জনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করে থানায় নিয়ে যায় পুলিশ। হাছিনার দেওয়া তথ্যে মাহিন উদ্দিনের অবস্থান শনাক্ত করে নোয়াখালীতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয় বলে ওসি জানান।

উল্লেখ্য গতকাল শনিবার বন্দর থানাধীন নিমতলা এলাকায় বুচুইক্যা কলোনির জনৈক শাহআলমের মালিকানাধীন ভবনের একটি ঘর থেকে বাবা ও মেয়ের গলাকাটা লাশ উদ্ধার করা হয়। এসময় রক্তমাখা ছোরা পাওয়া গেছে।  জানাগেছে ৩ তলা ঐ ভবনের নিচ তলায় স্ত্রী ও মেয়েকে নিয়ে ভাড়ায় থাকতেন আবু তাহের।  তিনি দিন হালিশহরের একটি গুদামে মজুরের কাজ করতেন।

কোন মন্তব্য নেই