বোয়ালখালীতে ঘরে ডুকে যুবককে গুলি করে হত্যা: মুক্তিযোদ্ধাসহ গুলিবিদ্ধ ২

0
.

চট্টগ্রামের বোয়ালখালীতে মো. নাছির (৪৫) নামের এক ব্যক্তিকে গুলি করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। এ সময় নাছিরের পিতা মুক্তিযোদ্ধা আলী মদন ও ছোট ভাই লোকমান আহত হয়েছেন।

শুক্রবার (১৬ মে) দিবাগত রাতে চরণদ্বীপ ইউনিয়নের খলিল তালুকদার বাড়ীতে এ ঘটনা ঘটেছে।

এ ঘটনায় জড়িত স্থানীয় হাছি মিয়ার দুই ছেলে শওকত ও জসিমকে আটক করেছে পুলিশ । তাদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।

স্থানীয়রা জানান, রাতে চরণদ্বীপের এক ধন্যাঢ্য ব্যক্তি খলিল তালুকদার বাড়ী এলাকায় যাকাতের টাকা বিলি করছিলেন। এসময় স্থানীয় হাছি মিয়ার ছেলে জসিম আর লোকমানের সাথে বাদানুবাদের সৃষ্টি হয়। এ নিয়ে হাতাহাতির ঘটনাও ঘটে যায়। এসময় জসিমের ভাই শওকত বন্দুক নিয়ে এ ঘটনায় অংশ নিয়ে লোকমানকে মারধর করতে থাকে। পরবর্তীতে লোকমানকে বাঁচাতে নাছির ও তার পিতা মুক্তিযোদ্ধা আলী মদন এগিয়ে আসলে তারা গুলিবিদ্ধ হন।

খবর পেয়ে বোয়ালখালী থানা পুলিশ নাছিরের লাশ উদ্ধার করেন। আহতদের হাসপাতালে প্রেরণ করেন।

এসময় অভিযান চালিয়ে শওকত ও তার ভাই জসিমকে আটক করে। তাদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে বোয়ালখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল করিম।

তিনি জানান, এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। নিহত, আহত ও হামলাকারীরা একই এলাকার বাসিন্দা।

জানা গেছে, নিহত নাছির চরণদ্বীপ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শামসুল আলমের অনুসারী। সে যুবলীগ নেতা। তার বিরুদ্ধে থানায় অস্ত্র, ছিনতাইসহ ৭টি মামলা রয়েছে। এর মধ্য একটি মামলায় দুই বছরের সাজাপ্রাপ্ত আসামী ছিলেন নাছির। তাকে ২০১৯ সালে ফ্রেবুয়ারী মাসে অস্ত্রসহ গ্রেফতার করেছিলো পুলিশ।

অন্যদিকে শওকত আরেক যুবলীগ নেতা মাহলুমের অনুসারী। নাছির আর শওকতের মধ্যে আধিপত্য নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিলো।

বিষয়টি নিশ্চিত করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির এএসআই আলাউদ্দিন তালুকদার পাঠক ডট নিউজকে বলেন, কাল রাতে নাছিরকে গুরতর আহতবস্থায় মেডিকেলে নিয়ে আসলে চিকিৎসক মৃত ঘোষনা করে। এঘটনায় গুলিবিদ্ধ মুক্তিয্দ্ধোকে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

কোন মন্তব্য নেই