লাখো মানুষের অংশ গ্রহণে জানাজা শেষে আল্লামা শফীর দাফন সম্পন্ন

0
.

লাখো ভক্ত অনুসারী ও হেফাজতের কর্মী সমর্থকদের অংশ গ্রহেণর মধ্য দিয়ে চট্টগ্রােমর হাটহাজারীেত হেফাজত ইসলামের আমীর আল্লামা শাহ আহমদ শফীর জানাজার নামাজ শেষে দাফন সম্পন্ন হয়েছে।

জানাজায় ইমামতি করেন আহমদ শফীর বড় ছেলে মাওলানা ইউসুফ। জানাজার আগে তিনি উপস্থিত লোকজনসহ দেশবাসীর কাছে তার বাবার জন্য দোয়া চান।

জানাজায় অংশ নেন স্থানীয় সংসদ আনিসুল ইসলাম মাহমুদ, চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি আনোয়ার হোসেন খান, এসপি এস এম রশীদুল হকসহ হেফাজতে ইসলামের নেতারা।

আজ শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুর ২টায় (বাদ জোহর) আল্লামা শফীর নামাজে জানাজা অনুুষ্ঠিত হয়েছে। জানাযায় অংশ নিতে এবং শেষ বারের মত দেখতে লাখো মানুষের ঢল নেমেছে হাটহাজারী এলাকায়। গতকাল শুক্রবার রাত থেকে দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে ছুটে আসতে থাকে।

হাটহাজারী দারুল উলুম মুঈনুল ইসলাম মাদরাসার হাটহাজারী মাদ্রাসার মাঠে জানাজা শেষে মাদ্রাসা ক্যাম্পাসের অভ্যন্তরে বায়তুল আতিক জামে মসজিদের সামনের কবরস্থানে মরদেহ দাফন করা হয়। জানাজায় দেশের শীর্ষস্থানীয় আলেমরা উপস্থিত ছিলেন।

.

মাদ্রাসার ভেতরে জায়গা সংকুলাণ না হওয়ায় ভীড়ের কারণে মরদেহ বহনকারী কফিন মাদ্রাসা মাঠ থেকে স্থানীয় ডাকবাংলোতে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখান থেকেই নামাজে জানাজা পরিচালিত হয়।

এর আগে শনিবার সকাল ১০টায় তার মরদেহবাহী গাড়িটি মাদরাসা প্রাঙ্গণে এসে পৌঁছায়। এসময় সেখানে এক হৃদয়বিদারক পরিবেশ সৃষ্টি হয়।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টায় তার মরদেহবাহী গাড়িটি মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে এসে পৌঁছায়। এর আগে ভোর ৪টায় রাজধানীর ফরিদাবাদ মাদরাসা থেকে তার মরদেহ বহনকারী গাড়িটি চট্টগ্রামের উদ্দেশে রওনা দেয়।

হাটহাজারী মাদ্রাসায় শুরা কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আল্লামা শাহ আহমদ শফীর মরদেহ জোহরের আগ পর্যন্ত হাটহাজারী মাদ্রাসার কনযুদ্দাকায়েক শ্রেণিকক্ষে সবার দেখার জন্য রাখা হবে।

উল্লেখ্য, আল্লামা শাহ আহমদ শফী শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় রাজধানীর আজগর আলী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

শতবর্ষী আল্লামা আহমদ শফী দীর্ঘদিন ধরে বার্ধক্যজনিত দুর্বলতার পাশাপাশি ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ ও শ্বাসকষ্টে ভুগছিলেন। অসুস্থতার কারণে এর আগেও দফায় দফায় তাকে হাসপাতালে ভর্তি করিয়ে চিকিৎসা দেয়া হয়েছিল।

কোন মন্তব্য নেই