চট্টগ্রামে লকডাউন বাস্তবায়নে ভ্রাম্যমান আদালত: ৮০ মামলায় ২৮ হাজার অর্থদণ্ড

0
.

করোনা ভাইরাস (কোভিড-১৯) সংক্রমণের বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ঘোষিত ১ জুলাই ২০২১ তারিখ থেকে ১৪ জুলাই ২০২১ তারিখ পর্যন্ত ঘোষিত কোঠোর বিধি-নিষেধ সফলভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে আজ শুক্রবার (৯ জুলাই) দিনব্যাপী জেলা প্রশাসন, চট্টগ্রামের ১৪জন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মহানগরীর বিভিন্ন স্থানে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন ।

এ সময় সরকার ঘোষিত বিধিনিষেধ মেনে না চলায় বিভিন্ন দোকান,রেস্টুরেন্ট এবং শপিং মলে অভিযান পরিচালনা করে অর্থদণ্ড প্রদান করার পাশাপাশি সাধারণ মানুষ কে স্বাস্থ্য বিধি প্রতিপালনে সচেতন করা হয়।

.

অভিযানে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট জনাব মোজাম্মেল হক চৌধুরী চকবাজার ও বাকলিয়া এলাকায় ১০ টা মামলায় মোট ৭০০০ টাকা অর্থদণ্ড আদায় করেন। চান্দগাঁও এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট জনাব মামনুন আহমেদ অনিক, তিনি ০৯ টি মামলায় ১৮০০ টাকা অর্থদণ্ড আদায় করেন ।

অন্যদিকে সদরঘাট ও ডবলমুরিং এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মুহাম্মদ ইনামুল হাছান, এ সময় তিনি ০৬ টি মামলায় ১১০০ টাকা অর্থদণ্ড আদায় করেন। ডবলমুরিং এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট নাঈমা ইসলাম, এ সময় ০২ টি মামলায় ২০০ টাকা অর্থদণ্ড আদায় করা হয়।

এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট গালিব চৌধুরী খুলশী ও আকবরশাহ এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন, তিনি ১২ টি মামলায় মোট ২৮০০ টাকা অর্থদণ্ড আদায় করেন। খুলশী ও বায়েজিদ এলাকায় এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ রাজিব হোসেন মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে ০৫ টি মামলায় ১১০০ টাকা অর্থদণ্ড আদায় করেন। চকবাজার ও বাকলিয়া এলাকায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে ০৭ টি মামলায় ১৭০০ টাকা অর্থদণ্ড আদায় করেন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ জিল্লুর রহমান।

.

এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট নূরজাহান আক্তার সাথী কোতোয়ালি ও সদরঘাট এলাকায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে ০৫ টি মামলায় ১৮০০ টাকা অর্থদণ্ড আদায় করেন।

পাহাড়তলি এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট কাজী তাহমিনা সারমিন, তিনি ০৪ টি মামলায় ১১০০ টাকা অর্থদণ্ড আদায় করেন।পাশাপাশি হালিশহর ও মুরাদপুর এলাকায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট জনাব প্লাবন কুমার বিশ্বাস, তিনি ০২ টি মামলা দায়ের করে ২৫০০ টাকা অর্থদণ্ড আদায় করেন। চকবাজার এলাকায় মোবাইল কোর্ট অভিযান পরিচালনা করেন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট প্রতীক দত্ত, এ সময় তিনি ১০ টি মামলায় ৪৯০০ টাকা অর্থদণ্ড আদায় করেন। অন্যদিকে হালিশহর ও ডবলমুরিং এলাকায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে ০৭ টি মামলায় মোট ২২০০ টাকা অর্থদণ্ড আদায় করেন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট হুছাইন মুহাম্মদ।

করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের সংক্রমণ বিস্তার রোধ করার লক্ষ্যে জেলা প্রশাসন, চট্টগ্রাম নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে আসছে। সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী জেলা প্রশাসন, চট্টগ্রামের এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।

কোন মন্তব্য নেই