বিক্ষোভ সমাবেশে ডা. শাহাদাত

দাম্ভিকতার কারণে খালেদা জিয়াকে বিদেশে সুচিকিৎসা থেকে বঞ্চিত করছে সরকার

0
.

চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আহবায়ক ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, রাজনৈতিক প্রতিহিংসা, প্রতিশোধ, অহংকার এবং দাম্ভিকতা কারণে আজকে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে এভাবে গৃহবন্দী রেখে বিদেশে সুচিকিৎসা থেকে বঞ্চিত করছে সরকার। কারণ তারা জানে যদি বেগম খালেদা জিয়া বাইরে থাকে তাহলে জনগনকে সঙ্গে করে গনতন্ত্র পূর্নুদ্ধার করতেন। বর্তমানে দেশে যদি আইনের শাসন থাকতো তাহলে খালেদা জিয়া এমনিতেই জামিন পেতেন। এখনও ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০১ ধারায় সরকার খালেদা জিয়াকে মুক্তি দিয়ে বিদেশে চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে পারে। আইনমন্ত্রী যে ব্যাখ্যা দিচ্ছেন, তা সর্বৈব মিথ্যা অপব্যাখ্যা। কারন ২০০৮ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর থেকে এই পর্যন্ত ৩০ জনেরও বেশি ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত আসামির সাজা মওকুফ করেছে। লক্ষীপুরের খুনের আসামিদের সাজা মওকুফ করেছে সরকার। আজকে দেশে আইনের শাসন থাকলে খালেদা জিয়ার জামিন হতো।

তিনি আজ সোমবার (২২ নভেম্বর) বিকালে নাসিমন ভবনস্থ দলীয় কার্যালয়ের মাঠে বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি ও সুচিকিৎসার দাবীতে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির কেন্দ্র ঘোষিত বিক্ষোভ সমাবেশে এসব কথা বলেন।

ডা, শাহাদাত বলেন, আমাদের দেশকে রক্ষা করতে হলে, জনগণকে রক্ষা করতে হলে, গণতন্ত্রের অধিকার ফিরিয়ে আনতে হলে, আমাদের বাতিঘর বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্ত করতে হবে। কারণ খালেদা জিয়া উড়ে এসে জুড়ে বসেনি। দীর্ঘ নয় বছর জনগনকে সাথে নিয়ে স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে লড়াই করে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করেছিল। তিনি এখনো কারাগারে রয়েছেন গণতন্ত্রের জন্য। তিনি অবিলম্বে বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি ও বিদেশে চিকিৎসার সুযোগ দেয়ার আহ্বান জানান।

চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সদস সচিব আবুল হাশেম বক্কর বলেন, সরকার আইনের দোহায় দিয়ে দেশনেত্রীকে বিদেশে যেতে দিচ্ছে না। কিন্তু আইনের যে ধারা রয়েছে, সংবিধানের ৪০১ ধারাতে স্পষ্টভাবে বলা আছে, সরকার যখনই যাকে চায়, তাকেই বিদেশে প্রেরণ করতে পারবে। কিন্তু আজকে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে সুচিকিৎসা না দিয়ে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেয়া হচ্ছে। যদি কোন অঘটন ঘটে তাহলে এই সরকারকে সম্পূর্ণ দায়ভার নিতে হবে। বাংলাদেশের মানুষ এই অবৈধ সরকারকে কোনো ক্ষমা করবে না। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে অবিলম্বে মুক্তি দিয়ে বিদেশে সুচিকিৎসা সুযোগ দিতে হবে।

দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহবায়ক আবু সুফিয়ান বলেন, বেগম খালেদা জিয়া দেশ, জনগণ ও গণতন্ত্রের আপসহীন নেত্রী। এই জনপ্রিয় নেত্রীকে নিয়ে আওয়ামী লীগ নোংরা রাজনীতি করছে। বেগম খালেদা জিয়ার বিদেশে চিকিৎসার অনুমতি প্রশ্নে কৌশল করছে সরকার। তাকে রাজনীতি ও জনগণ থেকে দুরে রাখছে। তাকে বিদেশে চিকিৎসার সুযোগ দেয়া হচ্ছে না।

চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য ইয়াছিন চৌধুরী লিটনের পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক মো. মিয়া ভোলা, এড. আবদুস সাত্তার, এস এম সাইফুল আলম, নাজিমুর রহমান, শফিকুর রহমান স্বপন, কাজী বেলাল উদ্দিন, মো. শাহ আলম, আবদুল মান্নান, আহবায়ক কমিটির সদস্য ইকবাল চৌধুরী, এস এম আবুল ফয়েজ, আর ইউ চৌধুরী শাহীন, আবুল হাসেম, আনোয়ার হোসেন লিপু, গাজী সিরাজ উল্লাহ, মনজুর আলম চৌধুরী মনজু, কামরুল ইসলাম, চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সভাপতি মোশারফ হোসেন দিপ্তী, থানা বিএনপির সভাপতি মামুনুল ইসলাম হুমায়ুন, মো. আজম, হাজী মো. সালাউদ্দিন, মো. সেকান্দর, এম আই চৌধুরী মামুন, কেন্দ্রীয় মহিলাদলের যুগ্ম সম্পাদক ফাতেমা বাদশা, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি এইচ এম রাশেদ খান, সাধারণ সম্পাদক বেলায়েত হোসেন বুলু, থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব জাকির হোসেন, হাজী বাদশা মিয়া, মনির আহমদ চৌধুরী, আবদুল কাদের জসিম, মাঈনুদ্দিন চৌধুরী মাঈনু, জাহাঙ্গির আলম, নগর যুবদলের সি. যুগ্ম সম্পাদক মোশারফ হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক এমদাদুল হক বাদশা, স্বেচ্ছাসেবক দলের সাংগঠনিক সম্পাদক জিয়াউর রহমান জিয়া, সি. যুগ্ম সম্পাদক আলী মর্তুজা খান, নগর ছাত্রদলের আহবায়ক সাইফুল আলম, সদস্য সচিব শরিফুল ইসলাম তুহিন প্রমুখ।

কোন মন্তব্য নেই