ফখরুলের গাড়িবহরে হামলা: চট্টগ্রাম আদালতে আইনজীবীদের বিক্ষোভ

3
.

রাঙামাটিতে পাহাড়ধসে ক্ষতিগ্রস্থ এলাকা পরিদর্শনে যাওয়ার পথে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের গাড়িবহরে হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল করেছে বিএনপি পন্থী আইনজীবীরা।

রবিবার (১৮ জুন ) দুপুরে চট্টগ্রাম আদালত পাড়ায় বিএনপি পন্থী আইনজীবীরা বিএনপি সকাল সাড়ে ১০ টার দিকে রাঙামাটিতে পাহাড় ধসে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শনে যাওয়ার সময় চট্টগ্রাম রাঙ্গুনিয়ার ইছাখালীতে পৌঁছার পর বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের গাড়ি বহরে হামলা’র তীব্র নিন্দা জানিয়ে তাৎক্ষনি চট্টগ্রাম আদালত চত্বরে প্রতিবাদ সভা ও মিছিল করেছে।

সিনিয়র আইনজীবী এডভোকেট আব্দুস সাত্তারের সভাপতিত্বে বিএনপিপন্থী আইনজীবীদের এ বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন এডভোকেট এনামুল হক, এডভোকেট আব্দুস সাত্তার সরওয়ার, বিএনপি নেতা এডভোকেট ইফতেখার হোসেন চৌধুরী মহসিন, এডভোকেট আবদুল কাদের, এডভোকেট হাসান অঅলী চৌধুরী, এডভোকেট আশরাফ হোসেন, এডভোকেট জহিরুল ইসলাম বেলাল, এডভোকেট আরশাদুর রহমান রিন্টু, এডভোকেট মুরশিদ, এডভোকেট এরফান, এডভোকেট মিল্লাত, এডভোকেট রফিক, এডভোকেট উজ্জল, এডভোকেট তৌহিদুল আলম শিকদার, এডভোকেট সালেহীন প্রমুখ।

এ সময় বক্তারা বলেন আইনশৃঙ্খলা ও দলীয় গুন্ডা বাহিনীর সাহায্যে সরকার দেশ চালাচ্ছে। ত্রান বিতরণে যাওয়ার সময় এই মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের ওপর ন্যাক্কারজনক ও কাপুরুষোচিত হামলার মাধ্যমে বিরোধী দলের উপর দমন-পীড়নের চিত্র আবার ফুটে উঠল। এটি গনতন্ত্রের জন্য বড় বাঁধা।

এভাবে ভয়ভীতি, শঙ্কা ও আতঙ্কের পরিবেশ বজায় রেখে গণপ্রতিবাদকে চাপা দিয়ে রাখাটাই হচ্ছে তাদের মূল লক্ষ্য। সরকার ভক্ষকের ভূমিকা গ্রহণ করার জন্যই বাংলাদেশে মানুষের জীবন-জীবিকা এখন ভয়ংকর নিরাপত্তাহীনতায় বিপন্ন।

“জনসমর্থনহীন ক্ষমতা আঁকড়ে রাখতেই অপরাধ ও অপরাধীদের সহযোগী হিসেবে বেছে নিয়েছে এই সরকার।”

বক্তারা এ সময় দাবি করেছেন, ছাত্রলীগ-যুবলীগের কর্মীরাই মির্জা ফখরুলের গাড়িবহরে হামলা চালিয়েছে। হামলাকারীদের দ্রুত গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমুলক শাস্তি দাবি করা হয়।সরকারকে এই দমন-পীড়ন নীতি থেকে সড়ে এসে দেশের গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক চর্চার পরিবেশ তৈরি করার আহবান জানান বক্তারা। সরকার এটাই বুঝিয়েছে- বাংলাদেশে গণতন্ত্রের লেশমাত্র নেই। বাংলাদেশ সম্পূর্ণ গণতন্ত্রহীন রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে।

3 মন্তব্য

    • একাত্তর টিভি’কে বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা: শুভ রাঙ্গুনিয়া’য় বর্বরোচিত ঘটনার বর্ণনা দেন এভাবে, বহরে ৮/৯ টি গাড়ি ছিলো l আমরা সব মিলিয়ে ২৫/৩০ জন নেতা কর্মি ছিলাম l মহাসচিব মির্জা ফখরুল ও আমির খসরু চৌধুরীকে বহনকারী গাড়িটি বহরের সম্মুখে ছিলো l হটাত্ করেই হকি স্টিক ও লাঠি হাতে ২০/২৫ জনের একটি গ্রূপ মহাসচিবকে বহনকারী গাড়িতে হামলা করে l বহরের পিছনে থাকা গাড়িগুলো দ্রুত ঘুরিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে”l “অথচ, উচিত ছিলো মহাসচিবকে ফেলে রেখে পালিয়ে না গিয়ে l গাড়ি থেকে নেমে এসে প্রতিরোধে অংশ নেয়া”l এই হামলাকে বিএনপির ব্রিফিং লিজেন্ড নেতারা গণতন্ত্রের উপর হামলা বলে অভিহিত করেছেন l সুদীর্ঘকাল দেশে কোনো গণতন্ত্র নাই l দেশের গণতান্ত্রিক সকল ‘সশস্ত্র ও নিরস্ত্র’ প্রতিষ্ঠানকে ধবংস করে দেয়া হয়েছে l চর দখলের মতো ক্ষমতা দখল করে আছে একটি চিন্হিত দেশী-বিদেশী গোষ্ঠী l সচেতন মানুষ এই হামলাকে সাধারণ মানুষের ‘আস্থা-আকাঙ্খা ও মানবতা’র বিরুদ্ধে হামলা বলে মনে করে l প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান,” ইছাখালি বাজারে ঢুকলেই ২০/২৫ জন সরকারী সন্ত্রাসী ত্রাণবহরে হামলা করে এবং গাড়ি ভাংচুর করে l একপর্যায়ে সন্ত্রাসীরা মির্জা ও চৌধুরী সাহেবকে বহনকারী গাড়িতে হামলা করে তাঁদের আহত করেন l আক্রান্ত গাড়ির ‘ড্রাইভার ও স্থানীয়রা’ প্রতিরোধ করলে সন্ত্রাসীরা পিছু হটে”l জানা যায়, মহাসচিবের নেতৃত্বে ওই ত্রাণবহরের দুটি গাড়িতে উদীয়মান কিছু বিপ্লবী নেতৃবৃন্দ ছিলেন l একটা কিছু ঘটতে যাচ্ছে, এটা বিপ্লবী নেতারা আঁচ করতে পেরে মাইক্রোবাস ঘুরিয়ে,দরজা ও জানালার ফাঁক গলে বাইরে বেরিয়ে আসেন এবং দিগ্বিদিক বীরবিক্রমে দৌড়ে পালিয়ে যান l সাবাশ ! মহান বিপ্লবী নেতাদের ‘আঁচ’ করতে পারার এই অবিস্মরণীয় ক্ষমতাকে সেলুট করতেই হয় l “ভাই পোষ্য ও মালের বিনিময়ে নেতা” হলে এই একটা সুবিধা ! মাথা’ কাজ না করলেও , প্রয়োজন মুহূর্তে পা’ যুগল ঠিকই কাজ করে l উসাইন বোল্টের গতিতে সে শরীরকে নিরাপদ দূরত্বে সরিয়ে নেয়”l কপি অম্বল ঠাকুর

একটি মন্তব্য দিন