শামীম ওসমানের ছেলে অয়নের কান্ড!

75
পথ শিশুদের নিয়ে শপিং মলে অয়ন ওসমান।

আলো জলমল বিপণীবিতান, মধ্যবিত্তের অনেকেই ঈদের কেনাকাটা করছেন। নগরীর চাষাড়ার সান্তনা ও বেইলী টাওয়ারের এসব দোকানগুলোতে মূলত পণ্যের দাম চড়া। সৌখিন মধ্যবিত্তরা এ মার্কেটে কেনাকাটা করেন। সন্ধ্যার পর কয়েকজন পথশিশু হঠাৎ করেই ঢুকে গেলো একটি দোকানে।

বিক্রেতা কিছুটা হকচকিয়ে গেলেন। প্রথমে ভেবেছেন হয় তো সাহায্য চাইতে এসেছেন। কিন্তু পরক্ষণেই বিক্রেতার ধারণা পাল্টে গেলো। সবগুলো শিশুই পছন্দের জামা-কাপড় কিনলেন। প্রত্যেকে দুই সেট করে! পরনের জামা খুলে দোকানেই পড়ে নিলো এক সেট। আরেক সেট শপিং ব্যাগে। তাদের পণ্যের মূল্যও পরিশোধ করা হলো। বিক্রেতা অনেকটা থ বনে রইলেন কিছুক্ষণ।

সিনেমার গল্পের মতোই হাসিতে উজ্জ্বল হয়ে উঠল সকলের মুখ। গল্পের রাজকুমারের মতোই ওদের মুখে হাসি ফোটানো ব্যক্তিটি হলেন-অয়ন ওসমান। যিনি নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য শামীম ওসমানের পুত্র।

রোববার সন্ধ্যায় আবেগঘন এমন একটি দৃশ্য দেখেছেন নগরীর ওই মার্কেটে আগত ক্রেতারাও।

শিশুদের মুখের ওই স্বর্গীয় হাসি ও টলমল চোখের জলে অনেকেরই চোখ ভিজে আসছিল তখন। কিন্তু রাজপুত্রের মতো ওইসব শিশুদের অনুরোধে তাদের সঙ্গে হাসতে হাসতে ছবিও তুলছিলেন অয়ন। ওদের মনে হলো, ওদের জন্যও কেউ একজন আছেন।

যাবার সময় সবাই এক সঙ্গে বলে উঠল-‘আমাদের আছেন অয়ন ভাইয়া।’ সুত্রঃ যমুনা নিউজ

Advertisements

75 মন্তব্য

  1. ওসমানগঞ্জের নির্যাতিত, নিপীড়িত ঐসব খবর লিখেন না কা ? ভন্ড,খুনী আর অপরাধীদের আর কত সমাজের উপরতলায় তুলবেন ? সংবাদপত্রের নাম দিয়ে কত আর কত অপরাধজগতের পৃষ্ঠপোষকতা করবেন!!

    • ভাই, শামীম ওসমান কেমন লোক সেটা দেশবাসীকে বলার অপেক্ষা রাখে না। তার বিরুদ্ধে শত শত নিউজ করেছি। তাই বলে ভালো কোন কাজের নিউজ করা যাবে না। এটা কেমন কথা। নিজের মনটাকে পরিস্কার রাখুন, সাদাকে সাদা বলতে শিখুন। বাবার কোন অপকর্মের জন্য ছেলে দায়ী হবে কেন। ছেলের বিরুদ্ধে তো কোন অভিযোগ উঠেনি। তার ছেলে ভালো কাজ করলে সেটা লিখতে সমস্যা কোথাই ? শামীম ওসমান বিএনপি করে না যে তার পক্ষে আমি লিখছি। একটা নিউজ কি দেখাতে পারবেন..? সমালোচনার পাশপাশি মানুষের ভালো কাজের মূল্যায়ন করুন।

    • আপনিই সেই সাংবাদিক ওসমানগঞ্জের ওলি’র মহানুভবতা চোখে পড়বেই, শিক্ষকের বিরুদ্ধে মিথ্যা বানোয়াট খবরকে সমর্থন দিয়ে নিউজতো করবেনই । ‘প্রথম আলো’র মত সংবাদ তৈরি করেন, ওদের মতো অবস্থান নেন, তখন নিজেরে দাবী করবেন যে আপনি সাদা সাংবাদিকতা করেন !

    • সাংবাদিকতার সার্টিফিকেট আপনার কাছ থেকে নিতে হবে না। আমি কালোকে কালো বসি সাদাকে সাদা বলি। আপনি আপনার মনকে সাদা করার চেষ্টা করে। আর বাংলাদেশের সব সব পত্রিকা বা সাংবাদিক প্রথম আলো না। প্রত্যেক পত্রিকা বা সাংবাদিকের নিজস্ব মতামত আছে। আপনারা সেই বাম যে বাম নিউজ স্বার্থের বিরুদ্ধে গেলে প্রথম আলোকেও ছাড়েন না। শাহবাগের লাকিকে নিয়ে প্রথম আলোর একটি লেখাকে কেন্দ্র করে প্রথম আলোর বিরুদ্ধে আন্দোলন নিষিদ্ধ এমন কি প্রথম আলো পুড়ানোর ঘটনা আমাদের জানা আছে। এখন আবার প্রথম আলোকে আইডল দেখান।

    • যুক্ত দিয়ে না পারলে এসব ফালতু কথা দিয়ে গায়েল করার অপচেষ্টা। আপনার লজ্জা পাওয়া উচিত উপরের অন্তত অর্ধশত কমেন্টস কারীর আপনি শুধু একজন। আমি কখনোই শামীম ও ওসমান বা তার সস্ত্রাসী ভাইদের পক্ষে লিখিনি। পিতা খারাপ হলে কি ছেলে ভালো হতে পারে না..? ছেলের ভালো কাজটাই তোলে ধরেছি। আর আপনার জ্ঞাতার্থে জানাচ্ছি যে শুধু আমার পত্রিকায় না। আরো অনেক পত্রিকায় এ নিউজ এসেছে। আমিও অন্য একটা পত্রিকা থেকে এ নিউজ কপি করে দিয়েছি। কারণ ভালো কিছু প্রচার করা প্রত্যেকের উচিত।

    • আপনার ফ্রেন্ড লিস্টে 60% ছাগু , 30% ওসমানগঞ্জের লীগ করে , 10% রিয়েল বাংলাদেশ নিয়ে চিন্তা করে। সুতারাং আপনার সংখ্যাগরিষ্ঠ ছাগুদের মন্তব্যে আপনি খুশী হইতে পারেন ,কিন্তু আমি এতে সামন্যই বিচলিত হয় না ।

    • আমার ফেবুতে ৬০% ছাগু এ হিসেব আপনারে দিল কে। কিন্তু রিয়েল ১০% মধ্যে একজন আপনাকে সমর্থন করেনি। কারণ আপনি হলেন শিক্ষিত বাট বিবেকহীন। সত্যকে সত্য বলার সাহস আপনার মধ্যে নেই।

    • Shoyeb Nayeem ভাই, বদ্দা ওসমানে এত চুলকায় কেন!! বদ্দা, শামীম ওসমান কি আপনারে গুতা মাইরছে নি??? ভাল কাজ নিজেকে দিয়ে না হলেও অন্যজনে করলে প্রশংসা হলে অন্তত করুন, আপনার প্রোফাইল ঘুরে তো মনে হচ্ছে উন্নত মস্তিষ্কের অধিকারী কিন্তু আপনার কমেন্ট এর ধরন দেখে তো খাপ মেলে না।

    • আর Shoyeb Nayeem ভাই, আপনার সম্বন্ধে আমার বিন্দুমাত্র জানা নেই তবে আপাতত জানতেও চাইছি না, শুধু এটা বলবো Saiful Islam Shilpi ভাইকে সার্টিফিকেট দেওয়ার তোড়জোড়ে না পরে অন্য কাউকে দেয়ার চেষ্টা করুন। উনি কি রকম সাংবাদিক তা অন্তত আপনার চেয়ে এক লাইন বেশি জানি আমরা।
      সরি ভাই কষ্ট পেয়ে থাকলে।

  2. শত শত মানুষের অন্ন, বম্ত্র, বাস, স্হান, কেড়ে নিয়ে, অসংখ্য মায়ের বুক খালি করে, দু একজন টোকাই কে কিছু টাকা র কাপড় কিনে দিয়ে, বাহ_ বা নেয়ার কি অাছে,। অামাদের সাংবাদিক ভাই দের জন্য অাবার সেটা হলুদিয়া পাখী দেখার মত সংবাদ হয়ে যায়।

    • আমার আপনার একজনকে দেয়ার ক্ষমতা নেই। বা থাকলেও করি না। এটা মন মানষিতার পার্থক্য। যাদের টোকাই বলছেন তারা মানুষ, তাদের মানুষ ভাবতে শিখুন। সাংবাদিকরা ভালো কিছু লিখলেও দোষ, কারো বিরুদ্ধে লিখলেও দোষ। এখানে নিউজটা কতজনকে দেয়া হয়েছে তা বিবেচ্চ না। এটা এ কারণেই আলোচিত কারণ সে শামীম ওসমানের মত সন্ত্রাসীর ছেলে। বাবা খারাপ হলে তো ছেলের ভালো দিকটা তুলে ধরে বড় অসাংবাদিক কাজ করে ফেললাম। তাই না..?

একটি মন্তব্য দিন