গুলশানে হামলার পর
চট্টগ্রামে নিরাপত্তা জোরদার: চলছে তল্লাশি

0

রাজধানীর গুলশানে মত যে কোন ধরণের জঙ্গি হামলার আশঙ্কায় বন্দর নগরী চট্টগ্রামের সর্বত্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। যে পরিস্থিতি মোকাবেলায় সর্বোচ্চ সতর্ক রয়েছে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ।

CMP P-2
নগর জুড়ে পুলিশী তল্লাশী।

শুক্রবার রাতে রাজধানীর গুলশানে স্প্যানিস রেস্তোরায় হামলায় দুই পুলিশ অফিসারসহ অন্তত ২৮ জন নিহত হবার পর আইন শৃংখলার সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়ে সিএমপির শীর্ষ কর্মকর্তারা জরুরি বৈঠক করেছেন

নগরীর সরকারি-বেসরকারি প্রায় এক’শ স্পর্শকাতর স্থাপনায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। নগরীর বিভিন্ন প্রবেশপথে পুলিশের বিশেষ চেকপোস্ট বসানো হয়েছে।

কুটনৈতিক পাড়া, অফিস, আবাসিক হোটেল, রেস্টুরেন্ট, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, মার্কেট-শপিংমল, রেলস্টেশন-বিমানবন্দরসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা সমুহে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।

এছাড়া মাঠ পর্যায়ে দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যদের সর্বোচ্চ সতর্কাবস্থায় থাকার নির্দেশ দিয়েছেন সিএমপি কমিশনার ইকবাল বাহার। উর্দ্ধতন সব কর্মকর্তাকে মাঠে থাকার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।

CMP-3
নগরীর বিভিন্ন চেকপোষ্টে গাড়ি থামিয়ে পুলিশের তল্লাশী।

নগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (অপরাধ ও অভিযান) দেবদাস ভট্টাচার্য সাংবাদিকদের বলেন, গতকাল (শুক্রবার) রাতে গুলশানের রেস্টুরেন্টে সন্ত্রাসী হামলার খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই আমরা নিরাপত্তা জোরদার করেছি।

সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়ে রাতেই অতিরিক্ত পুলিশ মাঠে নামানো হয়েছে। আমাদের দৃষ্টিতে যেসব স্থাপনাকে নিরাপত্তা বিবেচনায় স্পর্শকাতর মনে করছি সেগুলোতে অতিরিক্ত পুলিশ দেয়া হয়েছে। প্রবেশপথেও নিরাপত্তা চৌকি বসানো হয়েছে।

CTG CMP-1
মহানগরীর বিভিন্ন সড়কে পুলিশের সর্তক অবস্থান।

নগর পুলিশের বিশেষ শাখার সূত্রে জানা গেছে, রমজান উপলক্ষে নগরীতে আট’শ অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন আছে। শুক্রবার রাতে আরও আট’শ অতিরিক্ত পুলিশ মাঠে নামানো হয়েছে। নগরীতে পুলিশ মোতায়েনের পয়েন্টের সংখ্যাও বাড়ানো হয়েছে। উর্দ্ধতন কর্মকর্তাদের নেতৃত্বে একাধিক ফোর্স নগরীতে টহল দিচ্ছে।

এর আগে শুক্রবার (০১ জুলাই) রাতে গুলশানের হলি আর্টিজেন বেকারিতে একদল যুবক অস্ত্র ও বিস্ফোরক নিয়ে ঢুকে বিদেশিসহ বেশ কয়েকজনকে জিম্মি করে। পুলিশ ও বিদেশী সহ মোট ২৮ জনকে হত্যা করা হয়।

Advertisements

কোন মন্তব্য নেই

একটি মন্তব্য দিন