যুক্তরাষ্ট্রে পেশাগত ফেলোশিপ পেলেন ৪ তরুণ উদ্যোক্তা

0

ঢাকা: ঢাকায় অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস ও ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র (সিইডি) সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক তরুণ উদ্যোক্তা ফেলোশিপ এক্সচেঞ্জ প্রোগ্রাম-২০১৬ (এপ্রিল রাউন্ড) প্রাপ্ত চার বাংলাদেশি তরুণ উদ্যোক্তার নাম ঘোষণা করেছে।

ইউএস স্টেট ডিপার্টমেন্টের শিক্ষাগত ও সাংস্কৃতিক ব্যুরো এর অধীনে ৩০ এপ্রিল থেকে ৩ জুন পর্যন্ত এক্সচেঞ্জ প্রোগ্রামটি যুক্তরাষ্ট্রর ওকলাহোমা ও ওয়াশিংটন ডিসিতে অনুষ্ঠিত হবে।

বৃহস্পতিবার (২২ এপ্রিল) সন্ধ্যায় রাজধানীর ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের জিডিএলএন সেন্টারে এক প্রি-ডিপারচার ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রামে ফেলোশিপ পাওয়া উদ্যোক্তার নাম ঘোষণা করা হয়। এছাড়া এসময় এক্সচেঞ্জ প্রোগ্রামটির যাবতীয় বিষয় ফেলোদের জানানো হয়।

ফেলোশিপপ্রাপ্ত উদ্যোক্তারা হলেন-ফ্রিল্যান্স সাংবাদিক ও নিউজফিড পিআরের প্রতিষ্ঠাতা সৈয়দ রবিউস সামস, ড্রিমকাস্ট মার্কেটিং ও কমিউনিকেশনের সিনিয়র ম্যানেজার, বিজনেস ডেভেলপমেন্ট ও স্ট্র্যাটেজি মহিউদ্দিন চৌধুরী শাওন, মণ্ডল অ্যাগ্রো ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের পরিচালক মো. রাশেদুজ্জামান এবং জেন ল্যাবের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক রাতুল দেব।

ব্র্যাক বিজনেস স্কুল ও প্রোগ্রাম কো-অর্ডিনেটর, সহকারী অধ্যাপক শামীম ই হক সিইডি ফেলোশিপপ্রাপ্তদের নাম ঘোষণা করেন।

এসময় ঢাকায় আমেরিকান সেন্টারের পারভিন ইলিয়াস, জর্জ মেস্তসসহ আগের বছরের ফেলোশিপ প্রাপ্তরা উপস্থিত ছিলেন। এবার বাংলাদেশের অন্তত ১৩০ আবেদনকারীর মধ্যে তিন স্তরের নির্বাচন প্রক্রিয়া শেষে ওই চারজনকে ফেলোশিপ দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও ভারত ও মায়ানমার থেকে তিনজন করে তরুণ উদ্যোক্তা ওকলাহোমা বিশ্ববিদ্যালয়ের গেলর্ড সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগ কলেজে অনুষ্ঠেয় ওই ফেলোশিপ প্রোগ্রামে অংশ নেবেন। ২০১২ সালে এই তরুণ উদ্যোক্তা ফেলোশিপ এক্সচেঞ্জ প্রোগ্রাম চালু হয়েছে।

উল্লেখ্য, গেলর্ড সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগ কলেজ, ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র, ব্র্যাক মায়ানমার ও ভারতের উদ্যোক্তা উন্নয়ন ইনস্টিটিউট যৌথভাবে এই তরুণ উদ্যোক্তাদের জন্য যুক্তরাষ্ট্রে পাঁচ সপ্তাহের একটি ফেলোশিপ এক্সচেঞ্জ প্রোগ্রাম আয়োজন করেছে। বাংলাদেশ, মায়ানমার ও ভারতের বেসরকারি খাত, সরকার, সুশীল সমাজ বা শিক্ষকতায় সম্পৃক্ত উদ্যোক্তা ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা এতে অংশ নিয়ে থাকেন। এক্ষেত্রে তাদের বয়স হতে হবে ২৫ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে।

মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্টের শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক বিষয়ক ব্যুরোর সহায়তায় এই প্রোগ্রামের মাধ্যমে উল্লেখিত তিন দেশের সঙ্গে ওকলাহোমার তরুণ ব্যবসায়িক উদ্যোগ, ব্যবসায় প্রশাসন, সরকার, এনজিও ও শিক্ষা ক্ষেত্রের সমন্বয় করা হবে।

কমিউনিটি প্রশিক্ষণ প্রোগ্রাম বা ওকলাহোমায় ক্ষুদ্র ব্যবসার মধ্যে সংযোগ স্থাপন ছাড়াও আমেরিকার শীর্ষ বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে বিভিন্ন সেমিনারে অংশ নেওয়ার সুযোগ থাকবে।

কোন মন্তব্য নেই

একটি মন্তব্য দিন