বিএনপি থেকে পদত্যাগ করলেন পাপিয়া ও শিরিন

33
1472652134
শিরিন সুলতানা।                              সৈয়দা আশিফা আশরাফি পাপিয়া।

বিএনপির নতুন কমিটির সহ-মানবাধিকার সম্পাদক ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা সাধারণ সম্পাদক পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন সৈয়দা আশিফা আশরাফি পাপিয়া। এছাড়া বিএনপির ষষ্ঠ কাউন্সিলে গৃহীত নীতি ‘এক নেতার এক পদ’ অনুসরণ করে নতুন কমিটির স্বনির্ভর বিষয়ক পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন শিরিন সুলতানা। তবে তিনি মহিলাদলের সাধারণ সম্পাদক পদে রয়েছেন।

বিএনপির চেয়ারপারসনের গুলশান কার্যালয়ে সোমবার (২৯ আগস্ট) এ দু’জন পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন বলে জানা গেছে।

পদ ছাড়ার বিষয়ে জানতে চাইলে শিরিন সুলতানা বলেন, বিএনপির ষষ্ঠ কাউন্সিলে গৃহীত নীতি ‘এক নেতার এক পদ’ অনুসরণ করে নতুন কমিটির স্বনির্ভর বিষয়ক পদ থেকে পদত্যাগ করেছি। পদত্যাগপত্রে আমি তাই উল্লেখ করেছি।

পদত্যাগের বিষয়টি জানতে আশরাফি পাপিয়ার সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়। কিন্তু তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

বিএনপির নতুন কমিটি ঘোষণার পর ‘সার্কাস পার্টি’ উল্লেখ করে ফেসবুকে পাপিয়া স্ট্যাটাস দেন। বিভিন্ন গণমাধ্যমে এটি প্রকাশিত হলে ১১ আগস্ট সংবাদ সম্মেলন করে স্ট্যাটাসের বিষয়টি বানোয়াট ও ভিত্তিহীন দাবি করেন তিনি বলেন, তার কোন ফেসবুক একাউন্ট নেই।

33 মন্তব্য

  1. হায় হায় এইডা কয় কি?

    তাইলে এইবার যোগ দিবে কোনখানে?
    দলে পদ না পেয়ে কোন পথ ধরলেন নেত্রীরা??
    দলের জন্য এত কান্নাকাটি এত বকাবকি, এ সব করছিলেন কেন?
    দলকে ভালবেসে করেছিলেন, নাকি পদ পাবার লোভে করেছিলেন?

    স্বার্থ বড় বেঈমান জিনিস !!!

  2. সমুদ্র থেকে এক বালতি পানি তুলে নিলে, সমুদ্রের যেমন কোন কম পড়ে না, তেমনি দল থেকে এমন দুই চার জন স্বার্থবাদি চলে গেলে দলের উপর কোন প্রভাবই পড়ে না। বরং দলের মধ্যে ফেসে থাকা ময়লা গুলোই পরিস্কার হয়ে যায়।

    তারা পূর্বের নেতা কর্মিদের অবস্থাটা দেখে শিক্ষা নেয় না কেন?
    বি চৌধুরী, নাজমুল হুদা, কর্ণেল অলি সহ এমন আরো কত নেতা চলে গেছে। তাতে কি হয়েছে? তাদের সাথে দল ছেড়ে কয়জন গেছে?

    এসব দেখেও যাদের শিক্ষা হয় না, তারা চলে গেলেই উত্তম।