শফিক-মাহমুদুরের পরিবারের সঙ্গে সাংবাদিক নেতাদের সাক্ষাৎ

0

ঢাকা: কারাগারে থাকা দুই সম্পাদক শফিক রেহমান, মাহমুদুর রহমান ও সাংবাদিক নেতা শওকত মাহমুদের পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন সাংবাদিক নেতারা।

সোমবার (০২ মে) বিকেলে সম্মিলিত পেশাজীবী পরিষদের ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক ও বিএফইউজের সাবেক সভাপতি রুহুল আমিন গাজির নেতৃত্বে বিএফইউজে, ডিইউজে ও জাতীয় প্রেসক্লাবের নেতারা তিন পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।

তারা কারারুদ্ধ দুই সম্পাদক ও সাংবাদিক নেতার শারীরিক, আইনগত সহযোগিতা ও তাদের সার্বিক অবস্থা সম্পর্কে খোঁজ খবর নেন।

প্রসঙ্গত, প্রধানমন্ত্রীর ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়কে অপহরণ ও হত্যা প্রচেষ্টার বিতর্কিত মামলায় শফিক রেহমানকে গ্রেফতার করে দশ দিন রিমাণ্ডে রাখা হয়। বর্তমানে তিনি কাশিমপুর কারাগারে বন্দি রয়েছেন। আমার দেশ সম্পাদক মাহমুদুর রহমানকে একই মামলায় শ্যোন অ্যারেস্ট দেখিয়ে পুলিশ পাঁচ দিনের রিমাণ্ডে নেওয়া হয়েছে। ঢাকার মিন্টো রোডের ডিবি অফিসে মঙ্গলবার তার রিমাণ্ডে পাঁচ দিন হবে। সাংবাদিক নেতা শওকত মাহমুদকে গত ১৮ আগষ্ট গ্রেফতার করা হয়। সব মামলায় জামিন পেলেও নতুন নতুন মামলায় শ্যোন অ্যারেস্ট দেখিয়ে তার মুক্তি আটকে দেওয়া হয়েছে।

সাক্ষাতের সময় সাংবাদিক নেতাদের মধ্যে ছিলেন- ডিইউজের (একাংশ) সভাপতি কবি আবদুল হাই শিকদার, সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম প্রধান, জাতীয় প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আবদাল আহমদ, যুগ্ম সম্পাদক কাদের গনি চৌধুরী, ডিইউজে নেতা বাছির জামাল, পেশাজীবী নেতা ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ কামরুল হাসান খান সাইফুল প্রমুখ।

সাংবাদিক নেতারা প্রথমেই শওকত মাহমুদের স্ত্রী ফেরদৌসী মাহমুদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। তিনি মামলার অগ্রগতি সম্পর্কে জানান। এরপর তারা ইস্কাটনে শফিক রেহমানের বাসায় গিয়ে তার স্ত্রী তালেহা রেহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।

তালেহা রহমান জানান, শফিক রেহমানকে ষড়যন্ত্রমূলক ভাবে এ মামলায় জড়ানো হয়েছে। এত প্রবীণ একজন সৃজনশীল সাংবাদিকের সঙ্গে সরকার নিষ্ঠুর আচরণ করছে। তিনি জানান, ‘আমরা জানতে পেরেছি তাকে মেঝেতে ঘুমাতে দেওয়া হয়েছে।’ এরপর সাংবাদিক নেতারা গুলশানে মাহমুদুর রহমানের বাসায় গিয়ে তার বৃদ্ধা মা অধ্যাপিকা মাহমুদা বেগমের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।

সাক্ষাৎকালে সাংবাদিকদের কাছে প্রতিক্রিয়ায় রুহুল আমিন গাজী বলেন, সাংবাদিক সমাজের পক্ষ থেকে আমরা তিন সাংবাদিকের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছি। আমরা তাদেরকে সহানুভূতি ও ধৈর্য্য ধারণ করার জন্য বলেছি। মিথ্যা মামলায় তাদেরকে জেলে নিয়ে কষ্ট দেওয়া হচ্ছে। আমরা অবিলম্বে তাদের মুক্তি চাই।

Advertisements

কোন মন্তব্য নেই

একটি মন্তব্য দিন