বনফুল ও মধুবনের মিষ্টি তৈরীতে ভেজালঃ ৬ লাখ টাকা জরিমানা

4
.

নোংরা ও ভেজাল উপকরণে মিষ্টি তৈরীবনফুল ও মধুবনকে ৬ লাখ টাকা জরিমানাচট্টগ্রাম অফিসঃঅস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্যদ্রব্য সংরক্ষণ, বিভিন্ন খাদ্যদ্রব্যে উৎপাদন ও মেয়াদ উত্তীর্ণের তারিখ উল্লেখ না থাকা, মিষ্টি রাখার টবে মরা মাছি পড়ে থাকা, দই তৈরির কম্বল অত্যান্ত নোংরা, ফিনিশিং পণ্য ফ্লোরে প্যাকিং করা, স্টোরেজ ফ্লোর স্যাঁতস্যাঁতে অবস্থায় থাকা এবং কর্মরত শ্রমিকরা কোন ধরনের গ্ল্যাভস পরিধান না করে কাজ করার অপরাধে নগরীর অভিজাত মিষ্টি তৈরীর ও বিপনন প্রতিষ্ঠান বনফুল ও মধুবনকে ৬ লাখ টাকা জরিমানা করেছে র‌্যাবের ভ্রাম্যমান আদালত।আজ ১১ মে শনিবার নগরীর বায়েজিদ থানাধীন এলাকায় প্রতিষ্ঠান দুটি কারখানায় অভিযান চালায়।

.

র‌্যাব-৭ এর ভ্রাম্যমান আদালত।র‌্যাব-৭ এর- সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) মো. মাশকুর রহমান অভিযানের পাঠক ডট নিউজকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, অভিযানকালে বনফুল এন্ড কোম্পানী ও মুধুবন ব্রেড এন্ড বিস্কুট ফ্যাক্টরী লিঃ এ গিয়ে দেখা যায় প্রতিষ্ঠানে অপরিচ্ছন্ন, পঁচা ডিমও নষ্ট পাম অয়েল দিয়ে বিস্কুট উৎপাদন করছে, সেমাইয়ের টব খোলা অবস্থায় এবং ইন্ড্রাস্ট্রিয়াল ট্রিপল দিয়ে ঢেকে রাখাসহ বিভিন্ন অনিয়ম পরিলক্ষিত। এসব অপরাধে নিরাপদ খাদ্য আইন ২০১৩ এর ৩৩ এবং ৫৮ (৪) ধারা মোতাবেক বনফুলকে ৪ লাখ এবং মধুবনকে ২ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।অভিযানকালে প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে মেয়াদ উত্তীর্ণ ও নোংরা খাদ্যদ্রব্যসহ এগুলো তৈরির উপকরণ জব্দ করা হয়।

.

এর মধ্যে ৬৫ কেজি নোংরা মিষ্টি, ২১ কেজি দই, ১.৫ টন লাচ্ছা সেমাই, ৭৫ কেজি মেয়াদ উত্তীর্ণ বিস্কুট, ৫২ কেজি ময়দা, ৮০০ পিস কাপ কেক, ৮০ পিস নোংরা কম্বল, ৭৫০ পিস নষ্ট ডিম, ৫০ লিটার তরল ডিম, ১৬০ লিটার পাম অয়েল, ৫২ লিটার ভিনেগার এবং ৪৫০ পিস খালি প্যাকেট জব্দ করা হয়। পরবর্তীতে জব্দকৃত আলামত এক্সিকিউটিভ ম্যাজিষ্ট্রেট, র‌্যাব ফোর্সেস সদর দপ্তর, কুর্মিটোলা, ঢাকা এর উপস্থিতিতে ধ্বংস করা হয়।

4 মন্তব্য

  1. আচ্ছা রোজা আইলেই ভেজাল বিরোধী অভিযানে নামে ব্যাপার কি, আবার জরিমানা করা হয়,
    যারা ভেজালের কাজ করে তারাতো ঘুষ দিলেই সব ঠিক হয়ে যায়, অসুবিধা কি 🤡 মাঝে শুধু গ্রাহকদের ঠোকতে হয়।