মাঝে মাঝে নাইট ডিউটি

0
.

আজকাল অনেক অফিসেই ২৪ ঘণ্টা লোক থাকে কাজ করা জন্য। শিফটে কাজ করার ফলে গড়ে সবারই মাসে দুই-একদিন নাইট ডিউটি করতে হয়।

অনেকেই রাত জেগে কাজ করতে পছন্দ করেন, রাত জাগতে তাদের খুব বেশি কষ্ট হয় না। তবে যারা নিয়মিত রাত জাগেন না, তাদের বেশ সমস্যা হয় পুরো রাত জেগে কাজ করতে।

রাত জেগে কাজ করলে শরীর ক্লান্ত হয়ে যায়, ঘুম না হওয়ায় মাথাব্যথা হতে পারে, রাত জেগে থাকায় খাবার খাওয়া হয় বেশি ফলে ওজনও বাড়ে।

রাতের শিফটে কাজ করার সময় যে বিষয়গুলো মাথায় রাখা প্রয়োজন:

• রাত জাগা মানে বন্ধুদের সঙ্গে মুভি দেখে বা আড্ডা দিয়ে সময় কাটানো নয়। অফিসের নাইট মানে অনেক গুরুত্বপূর্ণ কাজ করতে হয়। যেখানে সবোর্চ্চ মনোযোগ দিতে হয়

• খাবারের বিষয়ে সবচেয়ে সচেতন হতে হবে। কারণ রাত জাগলে অনেক ক্ষুধা লাগে, খাবারের ক্ষেত্রে আমরা বেশির ভাগ সময়ই মিষ্টি বা ফাষ্টফুড জাতীয় খাবার খাই রাতের শিফটে। এটাও কিন্তু ক্ষতির কারণ হতে পারে, দেখা দিতে পারে অ্যাসিডিটির সমস্যা

• অফিসে আসার কিছুক্ষণ আগেই প্রোটিন ও ফাইবার সমৃদ্ধ ভাত, ডাল, সবজি, মাছ বা মুরগির মাংস খান

• রাতে খিদে পাওয়া স্বাভাবিক। তেমন হলে বাদাম, আপেল, খেজুর বা কিসমিস জাতীয় খাবার খান

• এনার্জি পেতে বোতলজাত কোমল পানীয় বা বারবার চা-কফি পান করে থাকি আমরা। এটাও ক্ষতিকর আমাদের জন্য, এসবের পরিবর্তে শুধু পানি বা ফলের রস পান করুন

• জরুরি সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের নাম্বারগুলো সংগ্রহে রাখতে হবে

• রাতের অফিস শেষ করে লম্বা একটা ঘুম দিন, ক্লান্তি দূর হবে, শরীরের কর্মক্ষমতা ও সজীবতাও ফিরে আসবে।

আরেকটি জরুরি বিষয় হচ্ছে, পরিবারের সদস্যদের আপনার অফিসের পরিবেশ ও নিরাপত্তা সম্পর্কে ধারণা দিন, যেন তারা চিন্তা না করে বরং আপনাকে সাপোর্ট দেন।

কোন মন্তব্য নেই