হাসুন, সুস্থভাবে বাঁচুন!

0
.

অনেকের মাসিক আয়ের বেশিরভাগ খরচ হয়ে যায় স্বাস্থ্য রক্ষায়। ডাক্তারের ভিজিট থেকে শুরু করে জিম করা অবধি আরও কত কিছুই না করতে হয় মানুষকে। তবে একেবারেই বিনামূল্যে শরীর-মন সুস্থ ও সুরক্ষিত রাখতে পারে প্রাণখোলা হাসি। এজন্যে শুধু মনের জোর আর সদিচ্ছাই যথেষ্ট।

মন থেকে সত্যিকারের যে হাসিটা আসে তা প্রতিনিয়ত হাসুন এবং নিজেকে সুস্থ রাখুন। মিথ্যে হাসি বা ভনিতা শরীরের জন্যে কার্যকরী নয়। সত্যিকারের প্রাণখোলা হাসি আপনাকে যে সমস্ত প্রতিকার দেবে-

চাপ কমায়
আমাদের দৈনন্দিন জীবনে মানসিক চাপ যেন একটা অংশ হয়ে জড়িয়ে আছে। যার ফলে নানান রকমের খারাপ অবস্থার মধ্য দিয়ে যেতে হয় আমাদের। এই চাপ কমাতেই হাসুন। মন খারাপ না রেখে যেকোনো বিষয় উপভোগ করুন।

মুড ঠিক রাখে
কোনো কারণে মুড খারাপ? ভালো লাগছে না? কোনো না কোনোভাবে হাসার চেষ্টা করুন। সেই হাসিতেও কৃত্রিমতা রয়ে যাচ্ছে? তাহলে এমন কিছু করুন যা খুব সাধারণ কিন্তু ঠোঁটের কোণে হাসি ফোটে এবং মুডকে রাখে স্বাভাবিক।

বিশ্বাসযোগ্যতা বাড়ায়
মানুষ তাদেরই বিশ্বাস করে থাকেন যারা খুব হাসিখুশি এবং সত্যিকার হেসে কথা বলে, যেখানে ছল থাকে না।

ব্যথা হ্রাস করে
হাসি ব্যথা কমানোর মোক্ষম এক অস্ত্র। হাসি প্রাকৃতিকভাবেই অ্যান্ড্রোফিন রিলিজ করে। অতিরিক্ত ব্যথাতেও যদি মুখে হাসি থাকে সে ব্যথা আপনা-আপনি কম মনে হবে।

মনোযোগ বাড়ায়
চাপ মনোযোগ কেড়ে নিয়ে মেজাজকে খিটখিটে করে তোলে। হাসিখুশি থাকলে তা নিজ থেকেই মনোযোগ বৃদ্ধি করে দেয়। সাথে অন্তর্দৃষ্টি বাড়িয়ে তোলে।

আকর্ষণীয় করে তোলে
প্রাণখোলা সুন্দর হাসি সবার কাছেই আকর্ষণীয় করে তোলে। মহিলাদের ক্ষেত্রে এ কথা বিশেষভাবে প্রযোজ্য কেননা পুরুষরা হাস্যোজ্জ্বল নারীদের প্রতি বেশি আকৃষ্ট হয়।

হার্টের সমস্যা কমায়
হাসি হার্টের সমস্যা কমায় ও শরীরকে শান্ত রাখে। যাদের মুখে প্রায় সময় হাসি লেগেই থাকে তাদের হৃদরোগের ঝুঁকি অনেকটাই কম। এছাড়াও হাসি উচ্চ রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে।

লাবণ্যতা আনে
হাসি চেহারায় ফিরিয়ে আনে লাবণ্য। সুন্দর হাসি যেনো বয়স কমিয়ে দেয় আরও তরুণ করে তোলে। সমীক্ষা বলে, মুখে লেগে থাকা হাসি গড়ে অন্তত তিন বছর কম বয়সী চেহারা এনে দেয়।

ইমিউন সিস্টেম বাড়িয়ে দেয়
সুন্দর হাসি শরীরকে শিথিল রাখে যা ইমিউন সিস্টেমকে দ্রুত ও ফলপ্রসূভাবে বাড়িয়ে দেয়। ফলে দেহ ও মন প্রফুল্ল হয়ে ওঠে।

দীর্ঘজীবী করে
যারা প্রায়ই হাসেন তাদের বাইরের সোন্দর্‍য বহুগুণে বেড়ে যায়। গবেষণায় দেখা যায়, যারা প্রাণ খুলে হাসেন তারা গড়ে অন্তত সাত বছর বেশি বাঁচেন।

কোন মন্তব্য নেই