আন্দোলনের মাধ্যমেই বেগম জিয়া মুক্ত করা হবে- মির্জা ফখরুল

3
ব্রেকিং নিউজ
  •  

       

                     

       

                     

       

                     

       

                     

       

                     

       

                     

       

.

বিএনপি‘র বরিশাল বিভাগীয় সমাবেশে মহাসচিব ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, মিথ্যা মামলা দিয়ে বিচার বিভাগকে নিয়ন্ত্রন করায় বেগম খালেদা জিয়ার জামিন হচ্ছে না। সরকারের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে তিনি বলেন, আইনীপন্থায় সরকার বাধা হয়ে দাড়ানোর কারণে আমরা নিয়মতান্ত্রিক আন্দোলন করতে বাধ্য হচ্ছি। জনগনকে নিয়ে আন্দোলনের মাধ্যমে দলের চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়াকে আমরা মুক্ত করব এবং জনগনের ভোটাধিকার ফিরিয়ে আনবো।

খালেদা জিয়ার মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার ও নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে বৃহস্পতিবার বরিশাল বিভাগীয় সমাবেশে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখছিলেন।

দলের যুগ্ম মহাসচিব ও বরিশাল মহানগর সভাপতি মুজিবর রহমান সারোয়ারের সভাপতিত্বে এ সমাবেশে দলীয় মহাসচিব নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে গত ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কেউ ভোট দিয়েছে কিনা প্রশ্ন রাখেন। উত্তর আসে, কেউ ভোট কেন্দ্রে যায়নি। বিএনপি মহাসচিব জনগনের ভোটাধিকার ফিরিয়ে দিয়ে জনগনের সরকার প্রতিষ্ঠার দাবি জানান। তিনি বর্তমান নির্বাচন কমিশন বাতিল করে গ্রহণযোগ্য নির্বাচন দিতে বর্তমানে সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।

.

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল বলেন, স্বাধীনতা পরবর্তী যা কিছু আদায় হয়েছে তা জনগনের আন্দোলন সংগ্রামের মাধ্যমেই। খালেদা জিয়ার মুক্তি ও জনগনের ভোটাধিকার ফিরিয়ে আনতে আবারো জনগনকে সাথে নিয়ে আন্দোলনে ঝাপিয়ে পড়ার আহ্বান জানান মির্জা ফখরুল।

বৃহস্পতিবারের এ বিভাগীয় সমাবেশে অন্যান্যের মধ্যে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য বেগম সেলিমা রহমান, কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি সাবেক মন্ত্রী আলতাফ হোসেন চৌধুরী, ব্যারিস্টার শাজাহান ওমর, এ্যাডভোকেট জয়নাল আবেদীন ও মেজর (অব:) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ-বীর বিক্রমসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন। সমাবেশে বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক বিলকিস জাহান শিরীন, জেলা বিএনপি’র সভাপতি এবায়েদুল হক চান, মহানগর বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক জিয়া উদ্দিন সিকদার জিয়া প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

3 মন্তব্য

  1. আন্দোলনের মাধ্যমে খালেদা জিয়াকে মুক্তি করা হবে এই ধরনের কথাগুলো আমরা শুনছি সেই ২০১৮ সাল থেকে এখন পর্যন্ত। ঈদের পরে আন্দোলন হবে কিন্তু ঈদের পরে আন্দোলন হবে সেটি কখনো বিএনপির নিশ্চিত করতে পারেনি।আন্দোলন ও সংগ্রাম করা বিএনপির অধিকার বলে তাদেরকে সেই অধিকার বাস্তবায়ন করার সুযোগ দেওয়া হোক।তবে আন্দোলনের নামে যদি কোনো ধরনের সহিংসতা করার চেষ্টা করা হয় তাহলে কোন ছাড় দেওয়া হবে না।

  2. মহা সমাবেশ করার চট্টগ্রামে করায় অনুমতি এখনও পাওয়া যায়নি সেটি জানিয়েছে বিএনপি। তাই এই আন্দোলন কর্মসূচি বিএনপি আইনী সহায়তায় করতে পারবেন না। আমরা ভালো করেই জানি প্রশাসনের অনুমতি না পেলেও বিএনপির চট্টগ্রাম এ আন্দোলন করবে এবং খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে চট্টগ্রামকে অচল করে দেওয়া একটি ব্যর্থ চেষ্টাও তারা করতে পারে। যদি এই ধরনের আন্দোলন করার মাধ্যমে চট্টগ্রামে সহিংসতা চালানোর কোনো পরিকল্পনা থাকে তবে বিএনপিকে ঢুকিয়ে দেওয়া হবে।