গলাকাটা সেই শিশু ও গণপিটুনিতে নিহত যুবকের পরিচয় মিলেছে

0
.

নেত্রকোণায় গলা কেটে এক শিশুর মাথা ছিন্ন করে নিয়ে যাচ্ছিল এক যুবক। পরে স্থানীয়দের গণপিটুনিতে ওই যুবকও নিহত হন।

গণপিটুনিতে নিহত হওয়া ঐ যুবকের নাম রবিন (৩৫)। তিনি নেত্রকোণার কাটলী এলাকার একলাছ উদ্দিনের ছেলে। সে পেশায় রিকশাচালক।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) বেলা পৌনে ১টার দিকে শহরের নিউটাউন এলাকার অনন্ত পুকুর পাড়ে গণপিটুনিতে ঘটনা ঘটে।

‘পদ্মাসেতুতে মানুষের মাথার প্রয়োজন’ এমন গুজবের মাঝে এমন ঘটনা ঘটলো। পুলিশ বলছে, এই ঘটনার সাথে ‘পদ্মাসেতুতে মানুষের মাথার প্রয়োজন’ এমন গুজবের কোনও সম্পর্ক নেই।

নেত্রকোণা মডেল থানার ওসি তাজুল ইসলাম শিশুটির পরিচয় নিশ্চিত করেছেন। শিশুটি নেত্রকোণা সদর উপজেলার আমতলা গ্রামের রিকশাচালক রইছ উদ্দিনের ছেলে সজীব (৮)। রইছ উদ্দিন বর্তমানে শহরের কাটলি এলাকায় হিরণ মিয়ার বাসায় ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করে আসছেন।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, বেলা ১টার দিকে শহরের কাটলি এলাকা থেকে ওই যুবক শিশুর ছিন্ন মস্তক নিয়ে দৌড়ে পালাচ্ছিলেন। স্থানীয়রা বিষয়টি বুঝতে পেরে যুবকের পিছু ধাওয়া করে। এক পর্যায়ে শহরের নিউটাউন এলাকার অনন্ত পুকুর পাড়ে যুবককে ধরে গণপিটুনি দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই যুবক নিহত হন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে শিশুর ছিন্ন মস্তক ও যুবকের লাশ উদ্ধার করে নেত্রকোণা আধুনিক সদর হাসপাতালে পাঠায়।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আশরাফুল আলম বলেন, ‘কেন এই হত্যাকাণ্ড তা বের করতে পুলিশ তদন্তে নেমেছে। এ ঘটনায় কাউকে গ্রেফতার করা হয়নি। এই হত্যাকাণ্ডের সাথে পদ্মাসেতুতে মাথার প্রয়োজন এমন গুজবের কোনও সম্পর্ক নেই বলে দাবি করেছেন পুলিশের এই কর্মকর্তা।’

কোন মন্তব্য নেই