হাটহাজারীতে আবাসিক হোটেলে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের বিরুদ্ধে অভিযান

0
.

হাটহাজারী (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধিঃ

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা চলাকালীন দূর-দূরান্ত থেকে অভিভাবকসহ ভর্তি পরীক্ষার্থীরা এসে উঠছেন হাটহাজারীর আবাসিক হোটেলগুলোতে। পর্যাপ্ত আবাসিক হোটেল না থাকার সুযোগে হোটেল মালিকরা পরীক্ষার্থীদের থেকে আদায় করছেন কয়েক গুণ বেশি ভাড়া। অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগে হাটহাজারী এলাকার আবাসিক হোটেলগুলোতে অভিযান পরিচালনা করেছেন হাটহাজারী উপজেলা প্রশাসন।

আজ বুধবার (২৩ অক্টোবর) সন্ধায় হাটহাজারীর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অবস্থিত আবাসিক হোটেলগুলোতে নির্বাহী অফিসার রুহুল আমিন এর নেতৃত্বে এ অভিযান চালানো হয়।

অভিযানে দেখা যায়, হোটেলগুলোতে স্বাভাবিক সময়ে ৩০০ থেকে ৫০০ টাকা ভাড়া হলেও এখন ভাড়া নেয়া হচ্ছে প্রতিদিন ৩০০০ টাকার উপরে। এসময় উপস্থিত এক কাষ্টমার জানালেন, এই জরাজীর্ণ রুমের ভাড়া ৫০০ টাকাও হওয়া উচিত না। উত্তরে রিসেপশনিষ্ট জানায়, এই রেট ভর্তি পরীক্ষা উপলক্ষে, পরীক্ষার পরে ৩০০ টাকা রাখা হবে।

অভিযানে জরাজীর্ণ ও অত্যন্ত নিম্নমানের হওয়ায় আলি ফাতেমা আবাসিক হোটেলকে সিলগালা করে দেয়া হয় এবং অপর দুই হোটেলের মালিক পক্ষকে আগের রেটে ভাড়া নেওয়ার শর্তে মুচলেকা দিয়ে ছেড়ে দেয়া হয়।

এ বিষয়ে ইউএনও রুহুল আমিন বলেন, অাগামী ২৬ অক্টোবর থেকে বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষা শুরু হতে যাচ্ছে। এ উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীরা পরীক্ষা দিতে তাদের অভিভাবকদের নিয়ে আসছে। অনেকেই হাটহাজারীর আবাসিক হোটেল গুলোতে উঠবেন বা উঠছে। আর সে সুযোগে হোটেল মালিকরা নির্ধারিত ভাড়ার চাইতে কয়েকগুন বেশি ভাড়া দাবি করছেন। এমন অভিযোগের প্রেক্ষিতে এ অভিযান। অভিযানে সবাইকে ভাড়া তালিকা টাঙানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আবাসিক হোটেল গুলো পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে প্রশাসনের নজরদারী থাকবে।

ইউএনও আরো বলেন, এই হোটেল মালিক চাইলেই হিরো বনে যেতে পারতেন। তারা ঘোষণা দিতে পারতেন এতদিন সীট ভাড়া ছিল ৫০০ টাকা ভর্তি পরীক্ষা উপলক্ষে সীট ভাড়া ৪৫০ টাকা। নিতান্তই বাধ্য হয়েই পরীক্ষার আগের রাত অবিভাবকরা তার সন্তানকে নিয়ে হোটেলে থাকেন। তিনি হোটেল মালিকদের মানবিক হবার আহবান জানিয়েছেন।

কোন মন্তব্য নেই