৭ নভেম্বরের চেতনায় স্বৈরচারের বন্দিদশা থেকে খালেদা জিয়াকে মুক্ত করতে হবে

3
.

চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহবায়ক আবু সুফিয়ান বলেছেন, ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর সৈনিক-জনতা রাজপথে নেমে এসেছিল জাতীয় স্বাধীনতা সুরক্ষা ও হারানো গণতন্ত্র পুনরুজ্জীবনের দৃঢ় প্রত্যয় বুকে নিয়ে। স্বাধীনতা-উত্তর রাজনৈতিক বিশৃঙ্খলা, তৎকালীন ক্ষমতাসীন মহল স্বাধীনতাকে বিপন্ন করে আধিপত্যবাদী শক্তির তাবেদারীতে দেশকে ঠেলে দিয়েছিল। আর এটি করা হয় শুধুমাত্র নিজেদের ক্ষমতাকে চিরস্থায়ী করার জন্য। সেজন্য মানুষের মত প্রকাশের স্বাধীনতাকে হত্যা করে একদলীয় বাকশালের বিভীষিকাময় শাসন চালু করা হয়। বাকশালী সরকার ফ্যাসিবাদী পন্থায় মানুষের ন্যায়সংগত অধিকারগুলোকে হরণ করে।

তিনি আজ ৭ নভেম্বর (বৃহস্পতিবার) সকালে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির পক্ষ থেকে ষোলশহরস্থ বিপ্লব উদ্যানে পুস্পস্তবক অর্পণকালে এ কথা বলেন

তিনি আরো বলেন, ৩ নভেম্বর কুচক্রীরা স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমানকে সপরিবারে ক্যান্টনমেন্টে বন্দি করে। এই অরাজক পরিস্থিতিতে ৭ নভেম্বর দেশপ্রেমিক সিপাহী জনতার মিলিত বিপ্লবে জিয়াউর রহমান মুক্ত হন। সেদিন সিপাহী জনতা যেভাবে শহীদ জিয়াকে মুক্ত করেছিল, ৭ নভেম্বরের চেতনায় স্বৈরচারের বন্দিদশা থেকে বেগম খালেদা জিয়াকেও সেভাবে মুক্ত করতে হবে।

পুস্পস্তবক অর্পণকালে উপস্থিত ছিলেন দক্ষিণ জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক আলী আব্বাস, সদস্য সচিব মোস্তাক আহমেদ খান, আহবায়ক কমিটির সদস্য অধ্যাপক শেখ মহিউদ্দিন, এনামুল হকএনাম, এড, ইফতেখার হোসেন চৌধুরী মহসিন, মনজুর উদ্দিন চৌধুরী, কামরুল ইসলাম হোসাইনী, নাজমুল মোস্তফা আমিন, চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান, জামাল হোসেন,বদরুল খায়ের চৌধুরী, মোস্তাফিজুর রহমান, মেজবাহ উদ্দিন চৌধুরী, মফজল আহমেদ চৌধুরী, লায়ন হেলাল উদ্দিন,নুরুল কবির, সিরাজুল ইসলাম সওদাগর, মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরী, মঈনুল আলম ছোটন জিয়াউদ্দিন আশফাক, জসিম উদ্দিন, জেলা কৃষকদলের আহবায়ক সৈয়দ সাইফু উদ্দিন,জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি সাইফুদ্দিন সালাম মিটু, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি মোঃ শহীদুল আলম শহীদ, সাধারণ সম্পাদক মোঃ মহসিন, জেলা যুবদলের যুগ্ন সম্পাদক মোঃ মোজ্জামেল হক, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুর কবির প্রমূখ।

3 মন্তব্য

  1. আজকের দিনে তো জিয়াউর রহমান একজন মুক্তিযোদ্ধার সন্তান করে নিজের ক্ষমতার জানান দিয়েছিলেন। তাহলে আপনারা খালেদা জিয়াকে মুক্ত করতে কত জন মুক্তিযোদ্ধা কে হত্যা করে ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য ষড়যন্ত্র করছেন? খালেদা জিয়া যদি নির্দোষ হতো তাহলে অনেক আগেই তথ্য প্রমাণ দিয়ে আদালত থেকে তাকে মুক্ত করতে পারতেন। কিন্তু আপনারা জানেন তিনি একজন দুর্নীতিবাজ তাই মুক্ত করতে না পেরে অনৈতিক আন্দোলনের ডাক দিচ্ছেন বারবার কিন্তু তাতেও জনসমর্থন না পেয়ে এখন শুধুমাত্র সংবাদ সম্মেলনের উপরই নির্ভর।

  2. বর্তমান সরকারকে যদি আপনারা 7 নভেম্বরের চেতনায় স্বৈরাচার বলে আখ্যা দিয়ে থাকেন তাহলে আপনারা হলেন 15 ই আগস্ট চেতনার স্বেচ্ছাচারী দল।কারণ আপনারা আপনাদের জঙ্গিমাতাকে নিয়ে 15 ই আগস্ট কেক কেটে উদযাপন করতেন সেটা আমরা মনে রেখেছি। কিন্তু কখনোই 7 নভেম্বরের বিষয়ে কোন প্রকার মতামত অথবা খারাপ কিছু শেখ হাসিনা এবং তার দলীয় লোকেরা করে নেয়। এটা থেকে বোঝা যায় কারা নোংরা মন-মানসিকতার নিয়ে দেশে রাজনীতি করছে।

  3. মানুষের অসুস্থতা মৃত্যু নিয়ে রাজনীতি করা আপনাদের হলো মূল নীতি। কিন্তু কখনই মানুষের দুর্বলতা বা খারাপ সময়কে নিয়ে উপহাস করতে আওয়ামী লীগ কাউকে সুযোগ দেয়নি সেটা দেশের জনগণ দেখেছে। 7 নভেম্বর যেটা আপনারা এত বিরাট করে পালন করে থাকেন তার পরবর্তী ঘটনা কিন্তু দেশের জনগণ মনে রেখেছে। মেজর জিয়াউর রহমানকে বন্দী অবস্থায় যে ব্যক্তি উদ্ধার করে এনেছিল তাকেই মেজর জিয়াউর রহমান ফাঁসিতে ঝুলিয়েছেন। এটার মাধ্যমে বোঝা যায় আপনাদের মধ্যে ক্ষমতার লোভ কতটা বেশি তাই বলছি এ ধরনের ভিত্তিহীন কথা বলে কোন লাভ হবে না। কারন আপনার যত চেষ্টা করেন দেশের ইতিহাস বিতর্কিত করতে পারবেন না।