চট্টগ্রাম সিটি মেয়রের সাথে কানাডিয়ান দূতাবাসের সৌজন্য সাক্ষাত

0
.

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আলহাজ্ব আ জ ম নাছির উদ্দীনের সাথে সৌজন্য সাক্ষাত করেছেন বাংলাদেশস্থ কানাডিয়ান দূতাবাসের সেকেন্ড সেক্রেটারী এবং ভয়েস কাউন্সিল আন্ড্রে ল্যাপিন্টে।

সোমবার (১৮ নভেম্বর) বিকেলে নগরীর টাইগারপাস সিটি কর্পোরেশনের অস্থায়ী কার্যালয়ে এই সাক্ষাত অনুষ্ঠিত হয়।

কর্পোরেশনের জনসংযোগ কর্মকর্তা মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম পাঠক ডট নিউজকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, সাক্ষাতকালে তাঁরা দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করেন। মেয়র কানাডিয়ান দূতাবাসের মিস আন্ড্রে ল্যাপিন্টে চট্টগ্রাম সফরের জন্য ধন্যবাদ জানিয়ে চট্টগ্রাম নগরীর ভৌগলিক অবস্থান সম্পর্কে বর্ণণা দেন।

তিনি বলেন, নগরীর পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা, আলোকায়ন এবং অবকাঠামোগত উন্নয়ন ব্যতিত চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন (চসিক) ৯০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান,৬০টি দাতব্য চিকিৎসালয়,৪টি মাতৃসদন,হোমিও দাতব্য চিকিৎসালয়,কম্পিউটার ইনস্টিটিউট, হেলথ টেকনোলজি,মিডওয়াইফ ইনস্টিটিউট পরিচালনা করছে। এই নগরকে বাসযোগ্য,নিরাপদ,পরিবেশ বান্ধব ও সবুজায়ন কার্যক্রম সহ বিভিন্ন পরিকল্পনা সম্পর্কে সিটি মেয়র মিস আন্ড্রে ল্যাপিন্টে’কে অবহিত করেন।

বৈঠকে মিস আন্ড্রে তাঁর দেশের কর্মকান্ড সম্পর্কেও মেয়রকে অবহিত করেন। তিনি তাঁর বাংলাদেশস্থ কানাডিয়ান দূতাবাসের কর্মকান্ড বিষয়ে সিটি মেয়রকে অবহিত করে বলেন যে, কানাডিয়ান সিটিজেনদের সার্বিক বিষয়ে তারা দেখভাল করেন এবং তাদেরকে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করেন দূতাবাস। তিনি চট্টগ্রামের নৈসর্গিক সৌন্দর্যের প্রশংসা করে বলেন,নদী,পাহাড়-পর্বত ও সমতল পরিবেষ্টিত এই শহর যে কোন অতিথিকে মুগ্ধ করে।

বাংলাদেশের দ্বিতীয় বাণিজ্যিক রাজধানী হিসেবে চট্টগ্রাম সারা বিশ্বের কাছে একটি পরিচিত শহর। এই প্রসঙ্গে মিস আন্ড্রে জানতে চাইলে সিটি মেয়র বলেন, বাংলাদেশের ৯০ শতাংশ আমদানী-রপ্তানী এই চট্টগ্রাম বন্দরে হয়ে থাকে। এটি নৌ-মন্ত্রলালয়ের অধিনে পরিচালিত। ইহা তদারকির জন্য চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ নামক একটি সংস্থা রয়েছে। বন্দর চেয়ারম্যানের মাধ্যমে এই সংস্থা পরিচালিত হয়ে থাকে। এই প্রসঙ্গে মেয়র চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং তাদের কর্মকান্ড সম্পর্কেও অতিথিকে সম্মুখ ধারনা দেন। বৈঠকে মেয়র বাংলাদেশ ও কানাডার মধ্যে বিদ্যমান সু-সম্পর্ক আরো সুদৃঢ় হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

এসময় কানাডিয়ান হাই কমিশনার এর কনসুলার অফিসার দুরীন রহমান, চসিক প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সামসুদ্দোহা, প্রধান প্রকৌশলী লে.কর্ণেল সোহেল আহমেদ, সচিব আবু সাহেদ চৌধুরী,মেয়রের একান্ত সচিব আবুল হাসেম উপস্থিত ছিলেন।

কোন মন্তব্য নেই